আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এই আসনে মোট সাত জন প্রার্থী লড়াই করলেও সাধারণ ভোটারদের আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন চার জন হেভিওয়েট প্রার্থী। জয়ের লক্ষ্য নিয়ে প্রার্থীরা ভোটারদের দিচ্ছেন উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি, যার ফলে নির্বাচনী এলাকা এখন সরগরম।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শাহীনুর পাশা চৌধুরী, খেলাফত মজলিসের মুশতাক আহমেদ, এবি পার্টির সৈয়দ তালহা আলম, স্বতন্ত্র প্রার্থী হুসাইন আহমেদ ও অ্যাডভোকেট মাহফুজুল আলম তুষার খালেদ।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ তাঁর প্রচারণায় বলছেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে তাঁর সুসম্পর্ক এলাকার উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।
বিশেষ করে জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের অঙ্গীকার করছেন তিনি।
স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন প্রবাসীদের জন্য কাজ করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। তিনি নির্বাচিত হলে প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে একটি বিশেষ সেল গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যাতে করে প্রবাসীরা দেশে এসে হয়রানির শিকার না হন। এর পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপরও তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
এবি পার্টির প্রার্থী সৈয়দ তালহা আলম একজন সুশিক্ষিত নেতা হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সঠিক ও শিক্ষিত নেতৃত্বের মাধ্যমেই কেবল এই অবহেলিত জনপদের উন্নয়ন সম্ভব। জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জের উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করতে তিনি জনগণের সমর্থন চাইছেন।
নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় কেবল উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি নয়, মাঠপর্যায়ে উত্তাপও ছড়াচ্ছে। প্রার্থীরা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রচার-প্রচারণা ও সমালোচনায় লিপ্ত হচ্ছেন। এখন ভোটারদের দেখার পালা, শেষ পর্যন্ত কার প্রতিশ্রুতির ওপর তারা আস্থা রেখে রায় প্রদান করেন।
এএস/এমএ