ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার এমদাদুল হক মিলন ওরফে রিপন (৩৮) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যমতে- ডাকাতিতে ব্যবহৃত ও লুণ্ঠিত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক সোয়া ১২টার দিকে সদর মডেল থানাধীন গোকর্ণঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত রিপন উপজেলার চানপুর গ্ৰামের বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক সোয়া ১২টার দিকে বিজয়নগর থানার একটি দল ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেপ্তার ও আলামত উদ্ধারের লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনা করে। সে সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানাধীন গোকর্ণঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর এলাকা থেকে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।
গত ২৮ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিট থেকে ২টার মধ্যে বিজয়নগর থানাধীন ২ নং চান্দুরা ইউনিয়নের পশারচাঁদ এলাকায় ফুলতলী-হাজীপুরগামী পাকা সড়কে একটি ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিজয়নগর থানায় একটি ডাকাতি মামলা রুজু হয়। ঘটনার পর থেকে পুলিশ আসামি গ্রেপ্তার ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ০২ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত সোহেল মিয়া (৩৫), শামীম মিয়া (৩২), মামুন মিয়া (২৩), ওলি মিয়া (২৩), মো. হানিফ ওরফে রুবেল (৩৯) ও মো. জয়নাল (৪০) সহ ছয় জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সে সময় লুণ্ঠিত মালামালের মধ্যে একটি বাঁশির ব্যাগ (ভেতরে সাউন্ড কার্ড প্রসেসর ও বিদেশি বাঁশিসহ অন্যান্য সামগ্রী) এবং একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ৫০ হাজার টাকা। গ্রেপ্তারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার এমদাদুল হক মিলন ওরফে রিপনের বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলায় মোট ১২টি ডাকাতি মামলা রয়েছে।
পরবর্তী তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
এসআর/এমএ