খামারি ও হ্যাচারি মালিকদের বিদ্যুৎ বিলে এখন থেকে ২০ শতাংশ রেয়াত বা ছাড় দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সোমবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পকে উৎসাহিত করতে বিদ্যুৎ রিবেট- সংক্রান্ত বিদ্যমান নীতিমালার আওতায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট চারটি খাতকে এই সুবিধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এ জন্য অর্থ বিভাগ ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এই ভর্তুকি সুবিধার আওতায় থাকছে পশু ও পোলট্রি খাদ্য প্রস্তুতকারী শিল্প, ফিশ ফিড বা মৎস্য খাদ্য উৎপাদন, পোলট্রি শিল্প এবং দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ শিল্প। দুগ্ধজাত পণ্যের মধ্যে পাস্তুরিত তরল দুধ, গুঁড়ো দুধ, আইসক্রিম, কনডেন্সড মিল্ক, মিষ্টি, পনির, ঘি, মাখন, চকলেট ও দই উৎপাদনকারীরা এই সুবিধা পাবেন।
কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও রপ্তানিতে উৎসাহ দিতে বর্তমানে ১৬টি খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ রিবেট সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। নতুন চারটি খাত যুক্ত হওয়ায় এর আওতা আরও বাড়ল।
সরকার আশা করছে, এই উদ্যোগের ফলে খামারিদের উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্য ভাবে কমবে। একইসঙ্গে এ খাতে বিনিয়োগ বাড়বে এবং নিরাপদ প্রাণিজ আমিষ উৎপাদনে দেশ আরও স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠবে।
এমএ