সুন্দরবনে পর্যটকবাহী জালিবোট মালিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে বুধবার সকাল থেকে সুন্দরবনের করমজলসহ কাছাকাছি স্পটগুলোতে যেতে পারছেন আগত পর্যটকরা।
গত ০৪ জানুয়ারি পর্যটক বহনকারী জালিবোটগুলোতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সরঞ্জাম থাকায় ডিজি শিপিং ও বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সে সময় ওইসব বোটগুলোতে অনুমোদন ব্যতিত থাকা উপরের অতিরিক্ত অংশ ভেঙ্গে ফেলা হয়। একইসঙ্গে দ্রুত সময়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বা অনুমোদন নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এর প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ হয়ে ০৫ জানুয়ারি সকাল থেকে সকল জালিবোট চলাচল বন্ধ রেখে ধর্মঘটে নামেন মালিক ও চালকরা। এতে কার্যত বন্ধ হয়ে যায় সুন্দরবনে কাছাকাছি স্পটগুলোতে পর্যটক পরিবহন।
মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি) রাতে জালিবোট মালিকদের সাথে বৈঠক করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শারমিন আক্তার সুমি, মোংলা-রামপাল সার্কেলের পুলিশ সুপার রিফাতুল ইসলাম ও মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীনুর রহমান।
তাদের আশ্বাসে ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেন জালিবোট মালিকরা। ফলে বুধবার সকাল থেকে স্বাভাবিক হয় পর্যটকদের যাতায়াত।
মোংলা বন্দর যন্ত্রচালিত মাঝিমাল্লা সংঘের সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, 'কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়া গত রোববার ডিজি শিপিংয়ের কর্মকর্তারা মোংলার ফেরিঘাট এলাকায় অন্তত ৩০টি জালিবোটের ওপরের অংশের (ছাদ) অবকাঠামো ভেঙে ও কেটে আসবাবপত্র নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি জরিমানা করেন। এর প্রতিবাদে নৌযান মালিকরা সোমবার ভোর থেকে ধর্মঘটের ডাক দেন। এর প্রতিকার চেয়ে বোট মালিকপক্ষ মঙ্গলবার স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি দেয়।
জেইউ/এমএ