ঠাকুরগাঁওয়ে শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এক মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মৃত মুক্তিযোদ্ধা শরিফুল ইসলাম (৬৫) সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের বাসিন্দা।
সোমবার সদর হাসপাতালে শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগ জটিলতা নিয়ে ওই মুক্তিযোদ্ধা ভর্তি হওয়ার পর মারা যায় বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. মো. মাহফুজার রহমান সরকার।
জানা যায়, মুক্তিযোদ্ধা শরিফুল ইসলাম রোববার রাতে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান শেষে ভর্তির আধা ঘণ্টা পর সদর হাসপাতালেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নাদিরুল আজিজ চপল জানান, ওই মৃত ব্যক্তি হৃদযন্ত্রের ও শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে রোববার দিবাগত রাত ২টা ১০ মিনিটে ভর্তি হন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে একক ভাবে হাসপাতালের ওয়ার্ডে আইসোলেটেড করে রাখতে বলা হয়েছিল। পরে তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে নেওয়া হয়েছে বলে অনেকে বললেও তা সঠিক নয়।
তিনি আরও জানান, ওই মুক্তিযোদ্ধা স্বাভাবিক ভাবেই মারা গেছেন। তারপর স্বজনরা লাশ নিয়ে যায়। কারোনা ভাইরাসের সঙ্গে উনার কোন সম্পর্ক নেই।
মুক্তিযোদ্ধার ছেলে আল মাসুদ জানান, আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা। ওনার আগে থেকেই হৃদযন্ত্র ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা ছিল। রাতে ওনার প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট হলে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি মারা যান। সোমবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বাবার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
এ বিষয়ে হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা. মো. মাহফুজার রহমান সরকার জানান, ওই মুক্তিযোদ্ধার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। অনেকে বলছে মুক্তিযোদ্ধা আইসেলোশনে মারা গেছে কি না। তাকে কেন আইসেলোশনে নেয়া হবে। তার মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালেই। করোনা ভাইরাস বা এ সংক্রান্ত কোন লক্ষণ তার ছিল না। তবে কিছু মানুষ ভুলবসত, ভুল ভেবে, ভুল তথ্য ও আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।
-এএ/এমএ