ভাস্কর্য নিয়ে বিচারক ও পুলিশের মানববন্ধন দেশের জন্য অশনি সংকেত বলে মনে করছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির
রিজভী।
মঙ্গলবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় সরকারি কর্মকর্তারা যে প্রতিবাদও জানিয়েছেন এবং সংবাদ সম্মেলনে তার সমালোচনা করেন রিজভী।
তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন, সংবিধানের কথা বলে তারা রাজপথে নেমে এসেছেন। তারা রীতিমত ব্যানার হাতে মিছিল স্লোগান দিয়ে রাজনীতিবিদদের মতো সভা-সমাবেশ করেছেন। বিচারক ও পুলিশ বাহিনী মানববন্ধন করেছে, যা দেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা। এই ধরনের ঘটনা দেশের জন্য অশনি সংকেত। রাজপথে সরকার ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের এমন ভূমিকা দেখে জনগণ ভীত-সন্ত্রস্ত্র, আতঙ্কিত ও ক্ষুব্ধ।
দলের দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয়া প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, একটা রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী কখনোই তো দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করতে পারে না। এটা তো একটা ডিসিপ্লিনের মধ্যে আছে। আমাদের মধ্যে নানা ডিফারেন্স অব অপিনিয়ন হতে পারে, সেটা হাউজের মধ্যে। ওপেন কোনো জায়গায় তো আমরা কোনো কথা বলতে পারি না। আমি সালাম (আবদুস সালাম) ভাইয়ের বিরুদ্ধে, সালাম ভাই আমার বিরুদ্ধে বা দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব সম্পর্কে আমরা যদি প্রকাশ্যে বলি, তাহলে জনগণ কী ভাববে? এটা তো কখনোই হতে পারে না।
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, দলের শৃঙ্খলাভঙ্গ করলে সাংগঠনিক কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সে বিষয়ে গঠনতন্ত্রে সুস্পষ্টভাবে লেখা আছে।
কী কারণে দুজনকে ‘শোকজ’নোটিস দেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে রিজভী বলেন, আমরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে উনাদেরকে চিঠি দিয়ে বলেছি- কী কারণে শোকজ করা হয়েছে। উনারা জবাব দিক, তারপরে দল যেটা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নেবে।
হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও শওকত মাহমুদের নামে ওই কারণ দর্শাও নোটিস প্রেরকের মাধ্যমেও তাদের বাসার ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএনপির দপ্তর।
এসআর