ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
অপেক্ষার অবসান, সেন্টমার্টিনের পথে ৮৩৬ পর্যটক
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৪২ এএম
সংগৃহীত ছবি
X

সংগৃহীত ছবি

সেন্টমার্টিন দ্বীপে জাহাজের যাত্রা নিয়ে অবশেষে ধোঁয়াশা কেটেছে। নানা অনিশ্চয়তা ও নাটকীয়তার পর অবশেষে কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতির পর বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে এমভি বার আউলিয়া জাহাজটি ৮৩৬ পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।

প্রথম দিন এমভি বার আউলিয়া সেন্টমার্টিন যাত্রা শুরু করেছে। অনুমতি পাওয়া বাকি দুটি জাহাজ শুক্রবার থেকে পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনে চলাচল শুরু করবে বলে জানিয়েছেন সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ মালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর।

দীর্ঘ বিরতি শেষে আবারো সমুদ্রপথে প্রবাল দ্বীপে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত পর্যটকরা। সকাল সাড়ে ৭টায় হুইসেল বাজিয়ে ঘাট ছাড়ে পর্যটকবাহী জাহাজ এমভি বারো আউলিয়া। সমুদ্রের ঢেউ ভেঙে প্রবাল দ্বীপের পথে শুরু হয় যাত্রা।

স্কোয়াব সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, এবার পর্যটন মৌসুমে জাহাজ চলাচলের অনুমতি পেয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠান। তবে প্রথম দিনে যাত্রা শুরু করেছে বার আউলিয়া জাহাজটি। পর্যটক পরিবহনের সুযোগ সীমিত থাকলেও জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ায় আশাবাদী পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। সবার প্রত্যাশা, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে দ্বীপকেন্দ্রিক পর্যটন কার্যক্রম।

বাহাদুর আরও বলেন, মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাত্রা হওয়ার কথা থাকলেও নানা জটিলতায় এবার পাঁচ দিন পিছিয়ে ৫ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে জাহাজ চলাচল। যাত্রার আগে অগ্নিনিরাপত্তাসহ জাহাজের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করে প্রশাসন।

বিআইডব্লিউটিএ সূত্র বলছে, প্রথম দিন একটি জাহাজ চলাচল করলেও পর্যায়ক্রমে যুক্ত হবে অনুমোদন পাওয়া অন্য জাহাজগুলো।

সূত্র মতে, কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীতে বুধবার সন্ধ্যায় নোঙর করা হয় পর্যটকবাহী তিনটি জাহাজ। যাত্রী পরিবহনের জন্য জাহাজগুলো সংস্কার ও সাজসজ্জার কাজ শেষ করে রাখা হয়। পর্যটকদের বসার চেয়ারসহ সকল দরকারি পণ্য পরিবর্তন করে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে যাত্রার অপেক্ষায় ছিল জাহাজ কর্তৃপক্ষ।

এমভি বার আউলিয়া, এমভি কর্ণফুলি ও এমভি টেকনাফ-এই তিনটি জাহাজের সম্মিলিত যাত্রী ধারণক্ষমতা ২ হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে এমভি বার আউলিয়ার ধারণক্ষমতা ৮৫০, এমভি কর্ণফুলির ৭৩২ এবং এমভি টেকনাফের ৭১৬ জন।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক এম এ মান্নান জানান, আগে থেকে টিকিট সংগ্রহ করা অনেক পর্যটকের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বৃহস্পতিবার একটি জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। সকাল সাতটায় নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে জাহাজটি সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

এসএ
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১
E-mail: [email protected], [email protected]. [email protected], [email protected], [email protected], ‍[email protected], Online-email: [email protected]

🔝