ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
আমুসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আদালত
✎ অবজারভার প্রতিবেদক
⏲ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৪৭ পিএম আপডেট: ০৫.১১.২০২৬ ১:৫৫ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X

সংগৃহীত ছবি

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান দমনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমুসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২২ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

এ মামলার আসামি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা মির্জা আজম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। পরে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

এর আগে গত ২ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর রেজিস্ট্রারের কাছে সাতজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

অভিযুক্ত সাতজন হলেন-সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী ও দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান, সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এবং ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, সাত আসামির মধ্যে ছয়জন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অপর আসামি মির্জা আজম পলাতক।

এর আগে গত ২৬ অক্টোবর চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, আমুসহ সাতজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনে জমা পড়েছে। প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ প্রস্তুত করা হয়েছে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেছিলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি বা ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়ের অভিযোগ আনা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমনে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় তারা যুক্ত ছিলেন এবং সংশ্লিষ্ট বৈঠকেও অংশ নিয়েছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার আন্দোলন দমনকে রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে গ্রহণ করেছিল। আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের নেতারা আন্দোলন দমনে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কারফিউ জারি এবং তা ব্যবহার করে হত্যাযজ্ঞ চালানোর পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন। সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে থাকা এসব নেতা আন্দোলন দমনে পরিকল্পনা, উসকানি, সহযোগিতা ও নির্দেশনার মাধ্যমে ভূমিকা রেখেছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

আনুষ্ঠানিক অভিযোগের সঙ্গে শেখ হাসিনা ও অভিযুক্তদের কথোপকথনের রেকর্ড এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধানী প্রতিবেদনের তথ্য-উপাত্তও প্রমাণ হিসেবে জমা দিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

প্রসিকিউশনের দাবি, আন্দোলন দমনের নামে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং পরিকল্পিত ও পদ্ধতিগত কর্মকাণ্ডের অংশ।

ডা. দীপু মনি ও ড. আব্দুর রাজ্জাক ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের আরেকটি মামলারও আসামি।

টিআই
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১
E-mail: [email protected], [email protected]. [email protected], [email protected], [email protected], ‍[email protected], Online-email: [email protected]

🔝