জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য থেকে মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা এবং মুদ্রানীতি নিয়ে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে।
বিনিয়োগকারীরা সুদের হার নিয়ে ফেডের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করায় মূল্যবান ধাতুটির বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ৪৯ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪৬ দশমিক ৬২ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে ডিসেম্বরে সরবরাহের জন্য নির্ধারিত মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ০.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৬০ দশমিক ১০ ডলারে দাঁড়ায়।
ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের জলবায়ু ও কমোডিটিবিষয়ক অর্থনীতিবিদ হামাদ হোসেন বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, তেলের দাম বৃদ্ধি এবং এর ফলে ফেডারেল রিজার্ভ প্রত্যাশার চেয়ে কঠোর মুদ্রানীতি গ্রহণ করতে পারে এমন আশঙ্কা স্বর্ণের বাজারে চাপ সৃষ্টি করছে বলে মনে হচ্ছে।
জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য দীর্ঘমেয়াদে সুদের হার বেশি থাকার সম্ভাবনা বাড়ায়। এতে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণ ধরে রাখার সুযোগ ব্যয় বেড়ে যায়, যা ধাতুটির চাহিদার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। বুধবার রুপার দাম ১.২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৩ দশমিক ৭৩ ডলারে নেমে আসে। প্ল্যাটিনামের দাম ০.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৫৩২ দশমিক ৪৯ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ২২২ দশমিক ২১ ডলারে দাঁড়ায়।
অন্যদিকে, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এসএস