বদলি, নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন এবং শতভাগ উৎসব ভাতার দাবিতে আগামী ৪ নভেম্বর থেকে আন্দোলনে নামছেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা।
এদিন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আন্দোলন শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা।
প্রাথমিকভাবে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা থাকলেও শিক্ষকদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে কর্মসূচির স্থান পরিবর্তন করে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “নিজেদের অধিকার আদায়ে শিক্ষকরা সব সময় একতাবদ্ধ। অসংখ্য শিক্ষক আন্দোলনে অংশ নিতে ঢাকায় আসবেন। এজন্য শিক্ষকদের চাওয়া ছিল আন্দোলনের ভেন্যু পরিবর্তনের। শিক্ষকদের স্বার্থে আন্দোলনের ভেন্যু জাতীয় প্রেস ক্লাবে দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে আমরা ডিএমপি কমিশনার বরাবর আবেদন করেছি।”
দেড় মাসেও বদলির ফল প্রকাশ হয়নি
আন্দোলনের অন্যতম দাবি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ফল দ্রুত প্রকাশ করা। অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, আবেদন গ্রহণের দেড় মাস হতে চললেও এখনো বদলির ফল প্রকাশ করা হয়নি। এতে নিজ বাড়ি থেকে শত কিলোমিটার দূরে কর্মরত শিক্ষকদের অমানবিক জীবনযাপন করতে হচ্ছে। অবিলম্বে বদলির ফল প্রকাশ করতে হবে।
নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের নির্দেশনা জারির দাবিও জানিয়েছেন এই শিক্ষক নেতা।
তিনি বলেন, সরকারি চাকরিজীবীরা চলতি মাস থেকে নবম পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পাবেন। অথচ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা কবে থেকে নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পাবেন, তা নিশ্চিত নয়। এ অনিশ্চয়তা দূর করতে তাঁদের জন্য পে-স্কেল বাস্তবায়নের নির্দেশনা জারি করতে হবে।
শতভাগ উৎসব ভাতা চান শিক্ষকরা
আন্দোলনের তৃতীয় দাবি শতভাগ উৎসব ভাতা বা ঈদ বোনাস। এ প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, সরকারি চাকরিজীবীরা মূল বেতনের শতভাগ উৎসব ভাতা পেলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তা পান না। এ বৈষম্য চাকরির ক্ষেত্রে বড় ধরনের ব্যবধান তৈরি করেছে। বৈষম্য দূর করে শতভাগ উৎসব ভাতা বাস্তবায়ন করতে হবে।
এসএস