লিখিত বক্তব্যে সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল হক বলেন, আমরা প্রযুক্তির বিরোধী নই । অনলাইন ব্যবসায় ন্যায্যতা, স্বচ্ছতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা চাই। কিন্তু ফুডপান্ডার বর্তমান ব্যবসায়িক নীতিতে রেস্তোরাঁ মালিকদের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ছে।
তাদের অভিযোগ, চুক্তিতে নির্ধারিত কমিশনের বাইরেও বিভিন্ন খাতে টাকা কাটা হয়। এর মধ্যে রয়েছে অনলাইন পেমেন্ট চার্জ, কমিশনের ওপর ভ্যাট, ট্যাব ফি ও ইন্টারনেট ফি। মাস শেষে দেওয়া হিসাবপত্রও জটিল ও অস্পষ্ট। ফলে কোন খাতে কত টাকা কাটা হচ্ছে, তা বোঝা কঠিন। রাইডার দেরিতে খাবার সংগ্রহ করলে গ্রাহক অর্ডার বাতিল করেন। এ ক্ষেত্রেও রেস্তোরাঁকে জরিমানা দিতে হয় এবং লেট চার্জসহ বিভিন্ন খাতে টাকা কাটা হয়। গ্রাহকের অভিযোগ যাচাই না করেই রিফান্ডের টাকা কেটে নেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও শোনা হয় না। ফুডপান্ডার মাধ্যমে বিক্রি হওয়া খাবারের টাকা পেতে ১৩ দিন বা কখনো কখনো মাসও পেরিয়ে যায়।
সংবাদ সম্মেলনে দেশীয় খাবার সরবরাহকারী প্ল্যাটফর্ম ফুডির উদাহরণ তুলে ধরেন রেস্তোরাঁ মালিকরা। তাদের প্রশ্ন, দেশীয় প্রতিষ্ঠান যদি ১৫ শতাংশ সমন্বিত কমিশনে ব্যবসা করতে পারে, তাহলে ফুডপান্ডা কেন অতিরিক্ত চার্জ নেবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মো. ইমতিয়াজ উদ্দিন নওশাদ এবং সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল হক। আরও উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রায়হান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মনজুর, অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ সুমনসহ অনেকে।