ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
দারিদ্র্য বিমোচনে বিশ্বে অনুসরণযোগ্য মডেল হতে পারে বাংলাদেশ: রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৮ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

বৈদেশিক কর্মসংস্থান, তৈরি পোশাকশিল্পে নারীর অংশগ্রহণ ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দারিদ্র্য বিমোচনে বিশ্বে অনুসরণযোগ্য মডেল হয়ে ওঠার সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের। এ জন্য সামাজিক সুরক্ষার সঙ্গে কর্মসংস্থান, উৎপাদনশীল বিনিয়োগ ও আয় বৃদ্ধির কার্যকর সংযোগ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

শুক্রবার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের চুলালংকর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সবার জন্য এশিয়া: সরকারি সেবা, সামাজিক সুরক্ষা ও অভিন্ন সমৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি’ শীর্ষক আঞ্চলিক সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি অনুষদ ও অক্সফাম ইন এশিয়া যৌথভাবে সম্মেলনটির আয়োজন করে।

তিতুমীর বলেন, বিচ্ছিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিবর্তে কর্মসংস্থান, উৎপাদনশীল বিনিয়োগ ও করের আওতা সম্প্রসারণের সঙ্গে সমন্বিত সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। করোনা মহামারি ও সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতায় নতুন করে আনুমানিক ৭০ লাখ থেকে এক কোটি মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে পড়েন বলেও তাঁর উপস্থাপনায় উল্লেখ করা হয়।

তিনি বলেন, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও তৈরি পোশাকশিল্পের বিকাশ বাংলাদেশের মানুষের আয় বাড়ানো এবং নারীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সামাজিক সুরক্ষাকে কর্মসংস্থান ও উৎপাদনশীল অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব।

সম্মেলনে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচির সম্ভাবনাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর উপস্থাপনায় উদ্ধৃত প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগী ১ কোটি ৬১ লাখে পৌঁছাতে পারে। এতে দারিদ্র্যের হার ৫ শতাংশীয় পয়েন্ট কমার সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষক কার্ডের ফলে একই সময়ের মধ্যে কৃষি উৎপাদন ও প্রকৃত জিডিপি ০.৭ থেকে ১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলেও প্রাক্কলনে উল্লেখ করা হয়।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় ছয়টি প্রস্তাব দেন তিতুমীর। এর মধ্যে রয়েছে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য সহজ শর্তে অর্থায়ন, খাদ্য ও সারের সরবরাহ নিশ্চিত করতে গ্যারান্টি ব্যবস্থা, সংকটকালে ঋণ পরিশোধ স্থগিত, উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বিশেষ উত্তোলন অধিকার (এসডিআর) পুনর্বণ্টন, জলবায়ু অর্থায়ন বাড়ানো এবং দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা জোরদার করা।

সম্মেলনে অক্সফামের এক নীতিপত্রে এশিয়ায় আয় ও সম্পদবৈষম্য, সামাজিক সুরক্ষার ঘাটতি এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় অসমতার চিত্র তুলে ধরা হয়। উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রায় ৪৬.৪ শতাংশ মানুষ কোনো ধরনের সামাজিক সুরক্ষা সুবিধার আওতায় নেই।

সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের নীতিনির্ধারক, অর্থনীতিবিদ, গবেষক ও উন্নয়নকর্মীরা অংশ নেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ইয়র্কের অধ্যাপক কেট পিকেট।

সূত্র: বাসস

-টিএস
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement