২০২৬ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারের বিজয়ীদের নাম আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঘোষণা করা হবে। সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের সংবাদ সম্মেলন থেকে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে এ ঘোষণা আসার কথা রয়েছে।
প্রতি বছরই নোবেল ঘোষণার আগে সম্ভাব্য বিজয়ীদের নিয়ে জল্পনা থাকে। তবে নোবেল কমিটির মনোনয়ন ও বাছাই প্রক্রিয়া গোপন থাকায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কারও নাম জানা যায় না। নোবেল কর্তৃপক্ষ মনোনয়নসংক্রান্ত তথ্য ৫০ বছর পর্যন্ত প্রকাশ করে না।
এবার সম্ভাব্য আলোচনায় রয়েছে কোয়ান্টাম তথ্যবিজ্ঞান, মহাকাশবিজ্ঞান, কনডেন্সড ম্যাটারসহ পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্র। আহারোনভ-বোহম ইফেক্ট ও জ্যামিতিক বা বেরি ফেজ নিয়ে দীর্ঘদিনের গবেষণার জন্য ইয়াকির আহারোনভ ও মাইকেল বেরির নামও বিভিন্ন পূর্বাভাসে এসেছে। দুজনই ১৯৯৮ সালে যৌথভাবে উলফ প্রাইজ পেয়েছিলেন।
এদিকে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও উচ্চশক্তির জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানও সম্ভাব্য ক্ষেত্র হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ২০২৬ সালের উলফ প্রাইজ পাওয়া পদার্থবিজ্ঞানী জুন ইয়ের নামও আলোচনায় এসেছে। ইম্মানুয়েল ব্লখের সঙ্গে যৌথভাবে পাওয়া ওই পুরস্কারে অতি-শীতল পরমাণু ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে তাদের গবেষণাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
তবে এসবই সম্ভাব্যতা ও বিভিন্ন পূর্বাভাসের অংশ। শেষ পর্যন্ত কোন গবেষণার জন্য এবং কাদের এ বছরের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল দেওয়া হবে, তা জানা যাবে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের আনুষ্ঠানিক ঘোষণায়।
গত বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের জন ক্লার্ক, মিশেল এইচ. ডেভোরেট ও জন এম. মার্টিনিস। বৈদ্যুতিক বর্তনীতে স্থূল কোয়ান্টাম যান্ত্রিক টানেলিং এবং শক্তির কোয়ান্টাইজেশন আবিষ্কারের জন্য তাদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
-টিএস