বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা খাতে চলমান সংস্কার ও নতুন উদ্যোগে গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন- জিপিই’র কাছ থেকে আরও বৃহত্তর অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তা চেয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জিপিই’র উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে অংশ নিয়ে এ আহ্বান জানান তিনি। জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনের সাইডলাইনে ‘মাল্টিপ্লাই পসিবিলিটি: এ নিউ এরা ফর এডুকেশন ফাইন্যান্সিং’ শীর্ষক এ সম্মেলনের আয়োজন করে ইতালি ও নাইজেরিয়ার জাতিসংঘে স্থায়ী মিশন এবং জিপিই।
সম্মেলনে ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রতিটি শিশুর জন্য মানসম্মত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করছে বাংলাদেশ। শুধু বিদ্যালয়ে শিশুদের উপস্থিতি নয়, শ্রেণিকক্ষে তাদের প্রকৃত শিখন ও ভবিষ্যৎ কর্মদক্ষতা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।
পরে জিপিই’র ডেপুটি সিইও চার্লস নর্থের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষক উন্নয়ন, প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং ও শিক্ষার্থীদের শিখনফল উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি শিক্ষা সংস্কারে জিপিই’র অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান।
বৈঠকে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখা এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে ইতিবাচক আশ্বাস দেন চার্লস নর্থ। এ সময় জিপিই’র সিইও লরা ফ্রিজেন্টি ও ডেপুটি সিইও চার্লস নর্থকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান ববি হাজ্জাজ।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ জিপিই’র কাছ থেকে ৯৮ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের অনুদান নিশ্চিত করেছে। প্রাথমিক শিক্ষা খাতে চলমান সংস্কার ও নতুন উদ্যোগে এই সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যেই উচ্চপর্যায়ের এ সম্মেলনে অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী।
-টিএস