ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
সীমান্ত সড়ক চালু হলে অপরাধ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর সক্ষমতা বাড়বে: পানিসম্পদমন্ত্রী
✎ অবজারভার সংবাদদাতা
⏲ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৫ পিএম আপডেট: ২২.০৯.২০২৬ ৬:৩৮ পিএম
X
Advertisement

কক্সবাজারের টেকনাফের সীমান্ত সড়ক রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, নানা জটিলতা ও প্রশ্ন থাকলেও জনস্বার্থে সীমান্ত সড়কের নির্মাণকাজ শেষ করতে হবে। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের এই সড়কটি পুরোপুরি চালু হলে সীমান্তে নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও জোরদার করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকানোসহ সীমান্তকেন্দ্রিক অপরাধ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর সক্ষমতাও বাড়বে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টেকনাফের সীমান্তবর্তী নাফ নদী পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

এর আগে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের পুনর্বাসন কার্যক্রম নিয়ে টেকনাফ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা সম্মেলন কক্ষে উপকারভোগীদের নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিং করেন পানিসম্পদমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী।

পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সমন্বয় করে দেশের স্বার্থে সীমান্ত সড়কের কাজ শেষ করা হবে।

তিনি বলেন, সীমান্তের নিরাপত্তা ও জনগণের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড উন্নয়নকাজ করবে। জনগণের অভিযোগ বিবেচনায় নিয়ে ঢাকা থেকে বিশেষজ্ঞ টিম সরেজমিনে এসে প্রকল্পের প্রয়োজনীয় ডিজাইনসহ সার্বিক বিষয় তদারকি করবে, যাতে এলাকার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

মন্ত্রী বলেন, সীমান্তের নিরাপত্তার পাশাপাশি পানি নিষ্কাশন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও খাল খননের বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হবে।

সীমান্ত সড়ক নির্মাণে অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সীমান্ত সড়ক প্রকল্পে একের পর এক তিন দফা সংশোধন ও ব্যয় বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তিনি বলেন, ‘একটা প্রকল্প তিনবার রিভাইজ হওয়া মানে আপনাদের বুঝতে হবে। এরপরও জনগণের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তাহলে রিভাইজটা কেন হলো? আপনারা বুঝে নেন, তিনবার হওয়ার যৌক্তিকতা কী থাকতে পারে। এটা কি জনস্বার্থে হলো, না অন্য কিছু?’

সীমান্ত সড়ক নির্মাণে অতীতে অনেক ভুল পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে এ্যানি বলেন, ‘আমরা নির্বাচিত সরকার, আমাদের দায়িত্ব অনেক। এখন এই মুহূর্তে এই সীমান্ত সড়ক আমাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, সীমান্ত সড়কটি শুধু যোগাযোগ অবকাঠামো নয়, এটি সীমান্ত নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সড়কটি সম্পন্ন হলে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর টহল জোরদারে সহায়ক হবে এবং নজরদারি আরও কার্যকর হবে। মাদক ও চোরাচালান বন্ধের পাশাপাশি রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ এবং সীমান্তকেন্দ্রিক বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনীক চৌধুরী, জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট হাছান ছিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাদত হোসেনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে তিনি টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ বেড়িবাঁধ, নাফ নদীর সীমান্ত এলাকা এবং হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উনছিপ্রাং সীমান্ত এলাকার বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিয়ানমার সীমান্তের বাংলাদেশ অংশে নাফ নদীর তীর ঘেঁষে প্রায় ৬১ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত সুরক্ষা সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু হয়। তিন দফা সংশোধনের পর প্রকল্পটির ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫৮ কোটি টাকা। এসব প্রকল্পের মধ্যে পোল্ডার ৬৭/এ, ৬৭, ৬৭/বি ও ৬৮-এর পুনর্বাসন কার্যক্রমও রয়েছে।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম থেকে উখিয়ার পালংখালী হয়ে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত সড়কটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

টিএন/আরএন
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement