কুমিল্লায় স্কুলছাত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যা মামলায় গ্রেফতার ৪ জনের মধ্যে দুজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের গাজীপুরের টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে (বালক) পাঠানো হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে দুই কিশোরকে টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আনা হয়।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে দুই কিশোরকে টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আনা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন কেন্দ্রটির তত্ত্বাবধায়ক মো. এমরান খান।
শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই দুই কিশোরের বয়স ১৫ ও ১৬ বছর। তারা অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় আদালতের নির্দেশে কারাগারের পরিবর্তে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
এরআগে অপ্রতিম হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিনসহ (১৯) তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে মো. সিয়ামকেও (১৯) গ্রেফতার করা হয়। দুজনকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে তাদের বয়স বিবেচনায় দুই কিশোরকে টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে এবং অপর দুজনকে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।
নিহত অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। সে কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার কোটবাড়ীর গন্ধমতী এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। পরদিন দুপুরে সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এসএস