রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলে সরাসরি অংশ নেওয়ার অভিযোগে এখন পর্যন্ত ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন।
তিনি জানান, এ ঘটনায় শুক্রবারই ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে। মামলায় আরও ৮০ থেকে ১০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ কেউ ককটেল বিস্ফোরণসহ রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।
গুলশানের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মিছিল করার ঘটনায় গোয়েন্দা তথ্যের ঘাটতি বা পুলিশের কোনো ব্যর্থতা ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আকতার হোসেন বলেন, এখনই এ বিষয়ে মন্তব্য করার সময় হয়নি। তবে কোনো ধরনের ব্যর্থতা থাকলে তদন্ত করে তা খতিয়ে দেখা হবে।
এর আগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে গুলশান-৩ নম্বর সড়কের কেএফসি গলিতে নিষিদ্ধ সংগঠনটির মিছিল থেকে ককটেলসহ দুজনকে আটক করে পুলিশ। আটক ব্যক্তিরা হলেন মো. আরাফাত (২০) ও আ. রহিম (৪৯)।
গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেন জানান, প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন মিছিলের উদ্দেশ্যে গুলশান এলাকায় জড়ো হন। এ সময় নিকেতন এলাকায় দায়িত্ব পালনরত পুলিশের এক উপপরিদর্শক তাদের ছত্রভঙ্গ করতে দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে পাঁচটি তাজা ককটেল ফেলে পালিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়।
ওসি জানান, মিছিলটি প্রায় ৩০ সেকেন্ড স্থায়ী হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে গুলশান এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
আরএন