বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানে নতুন দলনেতা উপপরিচালক রাশেদুল ইসলামকে নিয়োগ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, পূর্ববর্তী অনুসন্ধান টিমের দলনেতা উপপরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হক পিআরএলে (অবসরোত্তর ছুটি) গমন করায় তার স্থানে নতুন কর্মকর্তা স্থলাভিষিক্ত করে অনুসন্ধান টিম পুনর্গঠন করা হয়েছে।
এক নির্দেশনায় পুনর্গঠিত টিমকে ‘দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪’ এবং ‘দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭’ অনুসরণের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুসন্ধানের প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
সাবেক মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমানের বিরুদ্ধে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ও গুরুতর অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে নিজের ছেলে ইশরার ওসমানের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকে বিধি বহির্ভূতভাবে ঠিকাদারি কাজ প্রদান।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির (এনআইবি) মহাপরিচালক পদে মো. সলিমুল্লাহকে বিধি বহির্ভূতভাবে নিয়োগ প্রদান, এনআইবির দুইজন কর্মকর্তা ছুটিতে থাকা সত্ত্বেও বিধি বহির্ভূতভাবে তাদের দুটি বড় প্রকল্পের পিডি (প্রকল্প পরিচালক) দায়িত্ব প্রদান ও নিয়োগ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ।
কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পূর্ববর্তী অনুসন্ধান টিমের অন্যান্য সদস্যদের স্বপদে বহাল রেখেই নতুন দলনেতার অধীনে এই তদন্ত কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
টিমের সদস্যরা হলেন দলনেতা উপপরিচালক রাশেদুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক (সদস্য) মো. রাকিবুল হায়াত ও উপসহকারী পরিচালক (সদস্য) আফিয়া খাতুন।
টিআইএস