ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
গুমের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানা : সংসদে বিল পাস
✎ অবজারভার প্রতিবেদক
⏲ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৬ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

দেশে মানবাধিকার সুরক্ষা জোরদার করা, গুমকে সুনির্দিষ্ট অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান সংক্রান্ত বিল পাস হয়েছে। পাস হওয়া আইনগুলো হলো- জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬ । তবে বিরোধী দলের তীব্র আপত্তি, দ্বিমুখী নীতির অভিযোগ এবং শেষ পর্যন্ত অধিবেশন থেকে ওয়াকআউটের মধ্য দিয়ে বিলগুলো পাস হয়।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিলগুলো কণ্ঠভোটে পাস করা হয়।

২০০৯ সালের পুরনো আইনটি রহিত করে পাস করা জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬-এর মাধ্যমে স্বাধীন ও কার্যকর মানবাধিকার কমিশনের একটি নতুন কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। বিলে বলা হয়েছে, একজন চেয়ারম্যান ও চারজন কমিশনারের সমন্বয়ে এই কমিশন গঠিত হবে, যেখানে অন্তত একজন নারী এবং একজন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বা সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি থাকা বাধ্যতামূলক। কমিশনকে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা এবং জাতিসংঘের নির্যাতন বিরোধী সনদের আলোকে একটি 'জাতীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা' ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।

তবে বিলটি পাসের আগে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান এর তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, নতুন বিলে দ্বিমুখী নীতি বজায় রাখা হয়েছে। সাধারণ নাগরিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করলে কমিশন সরাসরি তদন্ত করতে পারবে, কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য জড়িত থাকলে কমিশনকে আগে ওই বাহিনীকে নোটিশ দিয়ে জবাব চাইতে হবে। এই ধারা আইনকে দুর্বল করেছে উল্লেখ করে বিরোধী সদস্যরা বিলে আলোচনা না করে ওয়াকআউট করেন। জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান বলেন, অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ না করেই আগের অধ্যাদেশ বাতিল করে এই দুর্বল বিল আনা হয়েছে।

পাস হওয়া গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬-এ গুমকে একটি আমলযোগ্য, অ-জামিনযোগ্য এবং অ-আপসযোগ্য অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্যের মাধ্যমে কেউ গ্রেপ্তার, আটক বা অপহৃত হওয়ার পর তার অবস্থান অস্বীকার করা বা গোপন করাকে গুম হিসেবে গণ্য করা হবে।

এই আইনের অধীনে গুমের অপরাধে সাধারণ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। তবে গুম হওয়া ব্যক্তি মারা গেলে বা পাঁচ বছরের বেশি সময় নিখোঁজ থাকলে অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা জরিমানা করা যাবে। এই বিলে ভুক্তভোগীদের পুনর্বাসন, আইনি সহায়তা, ডিজিটাল সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা, ক্ষতিপূরণ ফান্ড এবং নিখোঁজ ব্যক্তির সম্পত্তি পরিবার কর্তৃক ব্যবহারের আইনি সুযোগ রাখা হয়েছে। নিখোঁজের পাঁচ বছর পর উত্তরাধিকার প্রক্রিয়ার জন্য সনদ দেওয়ার বিধানও যুক্ত করা হয়েছে। তবে কোনো স্বতন্ত্র তদন্ত সংস্থা গঠন না করে তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের ওপরই রাখা হয়েছে। আইন অনুযায়ী তদন্ত ও বিচার কাজ সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

টিআইএস
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement