ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে নতুন নির্দেশনা
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২০ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

দেশের বৈদেশিক মুদ্রা বাজারের লেনদেন ও তথ্য প্রতিবেদন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি মাস  থেকে বৈদেশিক মুদ্রার নিলাম, আন্তঃব্যাংক ডলার লেনদেন এবং গ্রাহক পর্যায়ের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের তথ্য নতুন বৈদেশিক মুদ্রা বাজার বা এফএক্সএম ব্যবস্থায় সম্পন্ন ও প্রতিবেদন করতে হবে।

সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ও ট্রেজারি ব্যবস্থাপনা বিভাগ এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে। দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে নতুন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

এতদিন বৈদেশিক মুদ্রার বাজারসংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রমের ক্ষেত্রে ম্যানুয়াল পদ্ধতির ওপর নির্ভর করতে হতো। নতুন এফএক্সএম ব্যবস্থায় এসব কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনা হচ্ছে। এর ফলে লেনদেনের তথ্য একই ব্যবস্থায় সংরক্ষণ ও পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নিলামেও পরিবর্তন আসছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাংকগুলো এফএক্সএমে ডলার কেনা বা বিক্রির আদেশ দিতে পারবে। নিলাম শেষে কোন ব্যাংক কতটা বরাদ্দ পেল, সেই তথ্যও প্ল্যাটফর্মেই জানানো হবে। এরপর টাকা ও বৈদেশিক মুদ্রা নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

আন্তঃব্যাংক বাজারে ডলার কেনাবেচার ক্ষেত্রেও নতুন পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। বিক্রয়কারী ব্যাংক সিস্টেমে লেনদেনের প্রস্তাব দেবে এবং ক্রেতা ব্যাংক সেটি গ্রহণ করবে। চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দুই ব্যাংকের ব্যাক অফিস নিষ্পত্তির কাজ করবে।

শুধু তাৎক্ষণিক ডলার লেনদেন নয়, স্পট, ফরওয়ার্ড ও সোয়াপ ধরনের আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা চুক্তিও এফএক্সএমের আওতায় থাকবে। সোয়াপের ক্ষেত্রে লেনদেনের শুরু ও পরবর্তী মেয়াদের উভয় নিষ্পত্তি নির্ধারিত ব্যবস্থার মাধ্যমে করতে হবে।

গ্রাহক পর্যায়ের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের তথ্য সংগ্রহেও সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রতিদিনের লেনদেন তিন ধাপে রিপোর্ট করতে হবে। সকাল ১১টা পর্যন্ত সম্পন্ন লেনদেনের তথ্য সকাল সাড়ে ১১টার মধ্যে এবং বিকেল ৪টা পর্যন্ত লেনদেনের তথ্য বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে জমা দিতে হবে।

বিকেল ৪টার পর সম্পন্ন লেনদেনের তথ্য একই দিন জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই। দিনের শেষ ভাগের ওই লেনদেনের তথ্য পরবর্তী কর্মদিবসের সকাল ১১টার মধ্যে দেওয়া যাবে। কোনো নির্ধারিত সময়ে রিপোর্ট করার মতো লেনদেন না হলেও ব্যাংককে সিস্টেমে শূন্য প্রতিবেদন দিতে হবে।

রেফারেন্স বিনিময় হার নির্ধারণে বড় অঙ্কের লেনদেনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ে ১ লাখ মার্কিন ডলার বা তার বেশি মূল্যের লেনদেনের তথ্য এফএক্সএমে জমা দিতে হবে। তবে রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে এমন কোনো ন্যূনতম সীমা রাখা হয়নি। প্রবাসী আয় বা মজুরি-ভিত্তিক রেমিট্যান্সের প্রকৃত লেনদেনের তথ্য পরিমাণ নির্বিশেষে রিপোর্ট করতে হবে।

ব্যাংকগুলো দুটি পদ্ধতিতে এফএক্সএমে তথ্য দিতে পারবে। নির্ধারিত ফরম্যাটের এক্সেল ফাইল আপলোড করা যাবে, আবার চাইলে প্রতিটি লেনদেনের তথ্য সরাসরি সিস্টেমে প্রবেশ করানো যাবে। তথ্য জমা দেওয়ার পর ব্যাংকের দায়িত্বপ্রাপ্ত অনুমোদনকারী কর্মকর্তা তা যাচাই করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রত্যাশা, নতুন প্ল্যাটফর্ম চালু হলে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারের ওপর নজরদারি আরও কার্যকর হবে। একই সঙ্গে তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ সহজ হওয়ার পাশাপাশি রিপোর্ট তৈরির নির্ভুলতা বাড়বে এবং ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ার কারণে যে সময় লাগে, সেটিও কমবে।

এফএক্সএম ব্যবস্থায় ব্যাংক কর্মকর্তাদের কাজ সহজ করতে আলাদা পরিচালন নির্দেশিকাও দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন পদ্ধতিতে নিলাম, আন্তঃব্যাংক লেনদেন ও গ্রাহক পর্যায়ের তথ্য প্রতিবেদন। সবকিছুকে একই কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

এফএস
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement