খাগড়াছড়িতে ক্লাউড ব্লাস্ট বা মেঘ বিস্ফোরণের মতো অতি ভারী বৃষ্টিতে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। গত মধ্যরাতের টানা বৃষ্টিতে দীঘিনালার মাইনী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মাত্র তিন ঘণ্টায় ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
অতি ভারী বৃষ্টিতে দীঘিনালা উপজেলার মেরুং, কবাখালী ও বোয়ালখালী ইউনিয়নের কয়েকটি নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। দীঘিনালা-মেরুং সড়কের ওপর দিয়েও পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পানিতে ডুবে গেছে আমনের ক্ষেত। কোথাও কোথাও পানি বাড়তে থাকায় বসতঘরেও পানি ঢুকেছে। এতে আকস্মিক বন্যার মতো পরিস্থিতিতে ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজীল আহম্মেদ জানান, গত রাতে ভারী বর্ষণের ফলে মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চলের বেশ কয়েকটি গ্রাম ও কৃষিজমি প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে।
এদিকে, চেঙ্গী নদীর পানিও দ্রুত বাড়ছে। এতে খাগড়াছড়ি সদর ও মহালছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
হঠাৎ অতিবৃষ্টিতে নদ-নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে স্থানীয় প্রশাসন।
এনএম/আরএন