কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে মালয়েশিয়ায় পাচারের আগেই ১০ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে র্যাব-১৫। এদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী রয়েছেন।এ সময় মানবপাচার চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।
বৃহস্পতিবার র্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক আ ম ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৫-এর সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে, একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র জোরপূর্বক ও প্রলোভনের মাধ্যমে কয়েকজন বাংলাদেশি নারী-পুরুষকে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে টেকনাফ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের নাইট্যংপাড়ায় জড়ো করেছে।
এর ভিত্তিতে বুধবার (১৯ আগস্ট) আনুমানিক সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে নাইট্যংপাড়ার পিএইচপি বরফ মিলের পাশে হাবিবুল্লাহর বাড়ির সামনের এলাকায় অভিযান চালায় র্যাব। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারী চক্রের সদস্যরা পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে আব্দুল আমিন (২২) নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়ার নূর মোহাম্মদের ছেলে।
র্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুল আমিন জানিয়েছেন, তিনি ও তার পলাতক সহযোগীরা সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে ওই ১০ জনকে ঘটনাস্থলে জড়ো করেছিলেন।
অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে মানবপাচারের শিকার ১০ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করে র্যাবের হেফাজতে নেওয়া হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরাও জানিয়েছেন, তাদের সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে সেখানে নিয়ে আসা হয়েছিল।
উদ্ধার হওয়া ১০ ভুক্তভোগী ও গ্রেফতার আব্দুল আমিনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এএইচ /এসএফ