ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
গ্যাস পরিস্থিতি : সিএনজি-সারে সংকট কাটেনি
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X

সংগৃহীত ছবি

গ্যাসের সরবরাহ বাড়লেও সব খাতে সংকট কাটেনি। বাড়তি গ্যাসের বড় অংশ গেছে শিল্প খাতে। ফলে কয়েক দিন বন্ধ থাকা বা কম উৎপাদনে চলা অনেক কারখানা গতকাল শনিবার আবার চালু হয়েছে। তবে বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরবরাহ তেমন না বাড়ায় উৎপাদন বাড়েনি। দিনভর লোডশেডিং হয়েছে দেশজুড়ে। 

গত শুক্রবার এক্সিলারেট এনার্জি ও সামিটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ বন্ধ হলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ নেমে যায় প্রায় ১৬৫ কোটি ঘনফুটে। পরে শুক্রবার সন্ধ্যায় সামিট এবং রাতে এক্সিলারেট থেকে আবার গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়।

গতকাল সন্ধ্যা ৬টার হিসাবে জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাসের প্রবাহ ছিল ২৪৩ কোটি ৮০ লাখ ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাস ১৬১ কোটি ৫০ লাখ এবং এলএনজি থেকে ৮২ কোটি ৮০ লাখ ঘনফুট। দেশীয় গ্যাসের সবচেয়ে বড় উৎস শেভরন দিয়েছে ৮৭ কোটি ঘনফুট। এ ছাড়া বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি (বিজিএফসিএল) ৪৭ কোটি ৭০ লাখ, সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি ১৩ কোটি ৯০ লাখ, বাপেক্স ৯ কোটি ৬০ লাখ এবং টাল্লো ৩ কোটি ৩০ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করেছে।

সন্ধ্যা ৬টার হিসাব অনুযায়ী, বিদ্যুৎকেন্দ্রে গেছে ৯৩ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট গ্যাস। সার কারখানায় ১৫ কোটি ৩০ লাখ এবং অন্য খাতে গেছে ১৩৫ কোটি ৪০ লাখ ঘনফুট। দিনে গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট, যেখানে স্বাভাবিক সময়ে সরবরাহ থাকে ২৬০ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুট। শনিবার সরবরাহ ২৪৩ কোটি ৮০ লাখ ঘনফুটে উঠলেও চাহিদার তুলনায় ঘাটতি ছিল প্রায় ১৩৬ কোটি ঘনফুট।

গ্যাসের সরবরাহ বাড়ার সুফল শনিবার সবচেয়ে বেশি পেয়েছে শিল্প খাত। উৎপাদন শুরু হওয়ায় এ খাতে কিছুটা স্বাভাবিকতা ফিরেছে। তবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাস সরবরাহ না বাড়ায় এর ইতিবাচক প্রভাব দেখা যায়নি; জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ আগের মতোই অপরিবর্তিত ছিল।
পাওয়ার গ্রিডের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল ৬টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৩৭২ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ হয়েছে ১৩ হাজার ১১৮ মেগাওয়াট।
সকাল ৭টায় লোডশেডিং ছিল এক হাজার ৫৮ মেগাওয়াট, ৮টায় ৯৭১ এবং ৯টায় ৯৭৪ মেগাওয়াট। সকাল ১০টা ও ১১টায় ঘাটতি কমে যথাক্রমে ২৮১ ও ১৬৭ মেগাওয়াটে নামে। এর পর আবার লোডশেডিং বাড়তে থাকে। দুপুর ১২টায় তা ছিল ৬০৭ মেগাওয়াট। দুপুর ১টায় ১ হাজার ১২৮, ২টায় এক হাজার ৩২১ এবং বিকেল ৩টায় দাঁড়ায় এক হাজার ৬১৬ মেগাওয়াটে। বিকেল ৪টায় লোডশেডিং ছিল এক হাজার ৩৭৪ মেগাওয়াট এবং ৫টায় তা কমে হয় ৭৭০ মেগাওয়াট।
সন্ধ্যার পরও এই বড় লোডশেডিং বজায় ছিল। সন্ধ্যা ৭টায় ১ হাজার ৪২৭ মেগাওয়াট, সাড়ে ৭টায় বেড়ে এক হাজার ৬০২ এবং রাত ৮টায় ছিল এক হাজার ৩৩৫ মেগাওয়াট।

এসএ
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝