ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
গ্যাস-সংকটে উৎপাদন ব্যাহত, নারায়ণগঞ্জের দেড় শতাধিক ডাইং কারখানা বিপাকে
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫৭ পিএম
X

গ্যাস-সংকটের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল নারায়ণগঞ্জের ডাইং কারখানাগুলোতে। পাইপলাইনে পর্যাপ্ত গ্যাস না থাকায় অনেক কারখানা সিএনজি স্টেশন থেকে সিলিন্ডারে গ্যাস এনে সীমিত পরিসরে উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছিল। তবে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির নতুন নির্দেশনার পর সেই বিকল্প ব্যবস্থাও বন্ধ হয়ে গেছে। এতে জেলার দেড় শতাধিক ডাইং কারখানার উৎপাদন প্রায় অচল হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।

গত ২৬ জুলাই তিতাসের ব্যবস্থাপক বিধান চন্দ্র মৈত্র সিএনজি স্টেশনগুলোকে দেওয়া এক নির্দেশনায় বলেন, যানবাহন ছাড়া খোলা সিলিন্ডার বা ক্যাসকেড সিলিন্ডার বহনকারী কাভার্ড ভ্যান ও লরিতে সিএনজি সরবরাহ করা যাবে না। নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের সিএনজি বিক্রি বাংলাদেশ গ্যাস আইন ও গ্যাস বিপণন বিধিমালা ২০২৬-এর পরিপন্থী এবং ঝুঁকিপূর্ণ।

নির্দেশনার পর থেকেই নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন সিএনজি স্টেশন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে।

সোমবার বিকেলে নগরের নতুন জেলখানা এলাকার একটি সিএনজি স্টেশনে দেখা যায়, একটি ডাইং কারখানার গ্যাস সিলিন্ডারবাহী কাভার্ড ভ্যান গ্যাস না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে। গাড়িটির চালক জানান, গত কয়েক দিন ধরেই গ্যাস সংগ্রহ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিলেন তারা। সোমবার সরকারি নির্দেশনার কথা জানিয়ে তাদের আর সিলিন্ডারে গ্যাস দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে।

সিএনজি স্টেশনটির এক প্রকৌশলী জানান, তাদের প্রতিষ্ঠান আগে থেকেই এভাবে গ্যাস সরবরাহ করত না। তবে নতুন নির্দেশনার বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ নিট ডাইং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বলেন, গ্যাস-সংকটের কারণে বর্তমানে অনেক কারখানায় দিনে গড়ে তিন ঘণ্টাও উৎপাদন চালানো সম্ভব হচ্ছে না। ডাইং একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া হওয়ায় মাঝপথে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হলে কাপড়ের মান নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

তিনি আরও বলেন, এত দিন অনেক কারখানা সিলিন্ডারে সিএনজি এনে সীমিত আকারে উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছিল। নতুন নির্দেশনার পর সেই সুযোগও বন্ধ হয়ে গেছে। এতে সমিতির আওতাভুক্ত প্রায় দেড় শতাধিক ডাইং কারখানার অধিকাংশের উৎপাদন প্রায় ৮০ শতাংশ কমে গেছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে অনেক কারখানা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

তবে সংকট মোকাবিলায় কিছু প্রতিষ্ঠান বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার শুরু করেছে। আড়াইহাজারের মিথিলা টেক্সটাইল অ্যান্ড ওভেন ডাইং লিমিটেড বায়োমাস বা ধানের তুষ ব্যবহার করে কারখানার উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক জানান, কয়েক বছর ধরে চলা গ্যাস-সংকটের কারণে তারা আগেই বিকল্প জ্বালানির ব্যবস্থা করেছিলেন। ফলে তাদের উৎপাদন সচল রাখা সম্ভব হচ্ছে। তবে পাইপলাইনে গ্যাসের ঘাটতি এবং সিলিন্ডারে সিএনজি সংগ্রহের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অধিকাংশ ডাইং কারখানা এখন বড় ধরনের সংকটে পড়েছে।

আরএন


Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝