কুয়েতের হাসাবিয়া ও আব্বাসিয়া এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবন থেকে উচ্ছেদ হওয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে সরেজমিনে পরিদর্শনে গেছেন কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন। শনিবার (১৮ জুলাই) তিনি এই পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
কুয়েত সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো থেকে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের (ভারত, পাকিস্তান, মিশর, নেপাল, ফিলিপাইন ইত্যাদি) প্রবাসীদের সরিয়ে নিয়ে হাসাবিয়ার একটি হাই স্কুলে অস্থায়ী শেল্টার হাউজে থাকার ব্যবস্থা করেছে। উচ্ছেদ হওয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট হাই স্কুলের লোকেশন লিংকের মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া, প্রবাসী বাংলাদেশিদের যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে দূতাবাসের হটলাইন নম্বর ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে। সেবা ও যোগাযোগের মাধ্যমগুলো নিচে দেয়া হলো—
শ্রম কল্যাণ উইং: শ্রমিক সংক্রান্ত সমস্যাদি যেমন—আকামা, বেতন, মৃতদেহ দেশে প্রেরণ, ক্ষতিপূরণ, সার্ভিস বেনিফিট ও অ্যাটর্নি সংক্রান্ত তথ্যের জন্য নির্দিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে মোবাইল বা ইমেইলে যোগাযোগ করা যাবে।
কূটনৈতিক উইং: ড্রাইভিং লাইসেন্স সত্যায়ন, নাম সংশোধন, আমমোক্তারনামা, একাডেমিক সার্টিফিকেট সত্যায়ন, ফটো সত্যায়ন, রিলেশন সনদ, বিভিন্ন প্রত্যয়নপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত সেবার জন্য সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
পাসপোর্ট ও ভিসা উইং: পাসপোর্ট, ট্রাভেল পারমিট ও বিদেশি নাগরিকদের ভিসা ইস্যু সংক্রান্ত তথ্যের জন্য নির্দিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে।
জরুরি সেবা: মৃত্যু, দুর্ঘটনা এবং যেকোনো অতীব জরুরি বিষয়ে দূতাবাসের হটলাইন নম্বর +৯৬৫ ৬৯৯২০০১৩ নম্বরে সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা যোগাযোগ করা যাবে।
কুয়েতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে দূতাবাস জানিয়েছে, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো মেয়াদোত্তীর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ ভবনসমূহ অপসারণ এবং দেশটিতে অবৈধভাবে অবস্থানরত প্রবাসীদের আটক করে নিজ নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করা। আগামী দিনগুলোতে কুয়েতের অন্যান্য এলাকাতেও এই অভিযান অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
এসএ