ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
বোতলবন্দি আর্জেন্টিনা, ১৬ বছর পর বিশ্বকাপ স্পেনের
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৪:০১ এএম আপডেট: ২০.০৭.২০২৬ ১১:৫৭ পিএম
X

দীর্ঘ লড়াই, দারুণ কৌশল আর বল দখলের আধিপত্য-সব মিলিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে কার্যত বোতলবন্দি করে নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপা জিতেছে স্পেন। নিউইয়র্কের ফাইনালে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোলশূন্য ড্রয়ের পর অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পায় লা রোজা। ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরল স্প্যানিশরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে স্পেন। পঞ্চম মিনিটেই লামিন ইয়ামালের শট ও পরবর্তী প্রচেষ্টা লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের যৌথ চেষ্টায় রুখে যায়। অন্যদিকে সপ্তম মিনিটে লিওনেল মেসির সম্ভাব্য গোলের সুযোগ নষ্ট করে দেন স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন।

প্রথম ২৩ মিনিটে মাত্র ৩২ শতাংশ বল দখলে রাখতে পেরেছিল আর্জেন্টিনা। মেসি, নিকো গঞ্জালেজ ও হুলিয়ান আলভারেজ মিলে বল স্পর্শ করেন মাত্র ১৭ বার। মাঝমাঠে রদ্রির নিয়ন্ত্রণ আর স্পেনের দ্রুত পাসিংয়ে চাপে পড়ে যায় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

৩৯ মিনিটে ওয়ারজাবালের জোরালো শট দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। ৪১ মিনিটে ওয়ারজাবালকে ফাউল করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। ইনজুরির কারণে কিছুক্ষণ পর তাকে বদলি করা হয়।

প্রথমার্ধ শেষে বল দখলে ৬৫-৩৫ শতাংশ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল স্পেন। তারা আর্জেন্টিনার চেয়ে দ্বিগুণের বেশি সফল পাস দেয় (৩১৩-১৫৫)। পুরো প্রথমার্ধে লক্ষ্যে তো দূরের কথা, কোনো শটই নিতে পারেনি আর্জেন্টিনা।

বিরতির পর লিওনেল স্কালোনি লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে নামিয়ে পরিবর্তন আনলেও ম্যাচের চিত্র বদলায়নি। বরং পারেদেস মাঠে নেমেই রদ্রিকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন। একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে যেতে থাকে স্পেন। ওয়ারজাবাল, ওলমো, পেদ্রি ও ইয়ামাল একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও বারবার বাধা হয়ে দাঁড়ান এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।

৭০ মিনিট পর্যন্তও লক্ষ্যে কোনো শট রাখতে পারেনি আর্জেন্টিনা। ১৯৬৬ সালে পরিসংখ্যান সংরক্ষণ শুরুর পর বিশ্বকাপ ফাইনালে এত দীর্ঘ সময় লক্ষ্যে শটহীন থাকার নজির আর কোনো দলের ছিল না।

নির্ধারিত সময়ের যোগ করা সময়ে ইয়ামালের ফ্রি-কিকও দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন মার্টিনেজ। ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

অতিরিক্ত সময়ের প্রথম ভাগে নিকো উইলিয়ামসের একটি গোল ভিএআরের পর বাতিল হয় মিকেল মেরিনোর ফাউলের কারণে। তবে হতাশ হয়নি স্পেন।

অবশেষে অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের ১০৬ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। পেদ্রো পোরোর আক্রমণ থেকে নিকো উইলিয়ামস বল বাড়িয়ে দেন ফেরান তোরেসের কাছে। বদলি হিসেবে নামা এই ফরোয়ার্ড সহজ ফিনিশে বল জালে পাঠিয়ে স্পেনকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

শেষ পর্যন্ত আর সমতায় ফিরতে পারেনি আর্জেন্টিনা। ২০১৪ সালের ফাইনালের মতোই অতিরিক্ত সময়ে গোল হজম করে শিরোপা হারাতে হয় আলবিসেলেস্তেদের। আর ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতে ফুটবল বিশ্বের সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল স্পেন।


-টিএস


Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝