বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল সফরকারীরা।
বুধবার চট্টগ্রামের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। তবে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ১৯ ওভারে ১৩১ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। জবাবে ১০ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া।
রান তাড়ায় শুরুতেই দুই উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন শরিফুল ইসলাম। তার বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন জস ইংলিস। ৫ বলে এক চারে ৫ রান করেন তিনি।
এরপর উইকেটে এসেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন কুপার কোনোলি। দুই চার ও এক ছক্কায় দ্রুত রান তুলতে থাকেন তিনি। প্রথম ৩ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ১ উইকেটে ২৮ রান।
পঞ্চম ওভারে অধিনায়ক মিচেল মার্শকে ফিরিয়ে দেন মোস্তাফিজুর রহমান। শর্ট থার্ড ম্যানে ক্যাচ দেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক। ১৪ বলে দুই চারে ১৩ রান করেন তিনি।
পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেট হারিয়ে ৪৭ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। এরপর আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠেন কুপার কোনোলি। রিশাদ হোসেন ও অভিষিক্ত আব্দুল গাফফার সাকলায়েনের বলে ছক্কা হাঁকান তিনি। তবে সাকলায়েনের বলেই লং অনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই ব্যাটার। ২৭ বলে ৪৭ রান করেন কোনোলি। এই উইকেটটি ছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাকলায়েনের প্রথম শিকার।
কোনোলি ফিরে গেলেও রানের গতি ধরে রাখেন টিম ডেভিড। প্রথম ১০ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ৮২ রান করে অস্ট্রেলিয়া। ১২তম ওভারে শেখ মেহেদীর বলে টিম ডেভিড আউট হন। লং অনে ক্যাচ দেওয়ার আগে ১৬ বলে ২০ রান করেন তিনি।
এরপর অভিষিক্ত নিখিল চৌধুরী ও ম্যাট রেনশ অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন। জয় থেকে ১৬ রান দূরে থাকতে রিশাদ হোসেনের বলে আউট হন নিখিল। তার ব্যাট থেকে আসে ১৩ বলে ১৮ রান। ১৩ রানের ব্যবধানে সাকলায়েনের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন ম্যাট রেনশ। তার সংগ্রহ ১৮ রান। এরপর এক বল পরই জয় নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ১৯ ওভারে ১৩১ রান করে অলআউট হয়।