ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
ফ্যামিলি কার্ডের তালিকা চার বছর পরপর হালনাগাদ করা হবে: অর্থমন্ত্রী
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৬:৫৩ পিএম
X
Advertisement

সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বাস্তবায়ন কার্যক্রম প্রতি ছয় মাস অন্তর পর্যালোচনা করা হবে এবং উপকারভোগীদের তালিকা চার বছর পরপর হালনাগাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সোমবার (১৫ জুন) ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির চতুর্থ সভা শেষে তিনি এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দকৃত অর্থ কোথায় এবং কীভাবে ব্যয় হচ্ছে, তা নিয়মিতভাবে ছয় মাস পরপর পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি প্রতি চার বছর অন্তর উপকারভোগীদের তালিকা পুনর্বিবেচনা ও হালনাগাদ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, তালিকা হালনাগাদের সময় যেসব ব্যক্তি বা পরিবার অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল হয়ে উঠেছে, তাদের কর্মসূচির আওতা থেকে বাদ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিতদের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সভায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রশাসনিক ব্যয় পর্যালোচনার পাশাপাশি তা অনুমোদন দেওয়া হয়। এছাড়া ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন (সংশোধন) গাইডলাইন ২০২৬ চূড়ান্তকরণ এবং ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬ এর খসড়া পর্যালোচনা ও নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। 

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সরকার গঠন করার পরপর গত ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। নির্বাচনি প্রতিশ্রুত অনুযায়ী বাস্তবায়নাধীন এ কার্ডের সুবিধাভোগী নারীরা প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা পাচ্ছেন।

ফ্যামিলি কার্ডের জন্য বাজেটে ১৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে জানিয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, কাদের জন্য কী অ্যালোকেশন, কাদের জীবনের পরিবর্তন করার জন্য কী আমাদের উদ্যোগ, পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। সমাজের, দেশের কোনো একজন নাগরিককে বাদ রেখে এই বাজেট হয় নাই। প্রত্যেককে মাথায় রেখে বাজেট হয়েছে। এইজন্য পুরো বিষয়টাকে আমরা বলছি ডেমোক্রেটাইজেশন অব দি ইকোনমি, অর্থাৎ অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, একটা গ্রুপ বেনিফিট পাবে, এখানে পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি হবে; আর দেশের বাকি লোক অর্থনীতির কোনো সুযোগ পাবে না; তাদের কাছে অর্থনীতির সুফল যাবে না, সে অংশগ্রহণ করতে পারবে না—এটা তো একটা গণতান্ত্রিক দেশের অর্থনীতির জন্য কাম্য না। এইজন্য আমরা এর পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি।

এক সাংবাদিক জানতে চান, দরিদ্র কোনো ব্যক্তির স্ত্রী মারা গেলে সেক্ষেত্রে ফ্যামিলি কার্ডের কী হবে?

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, সে কৃষক কার্ড পাবে। ইউনিভার্সাল হেলথ কেয়ারের সুযোগ পাবে। বয়ষ্ক ভাতার সুযোগ পাবে। অনেকগুলো আছে।

তবে কেবল এ ধরনের কার্ড নির্ভরতা নয়, বরং কর্মক্ষম দেশ গড়ায় সবার চেষ্টা করা উচিত বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী। 

তিনি বলেন, আমরা এ দেশটাকে কর্মক্ষম, দক্ষ জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে চাচ্ছি। ‘সরকার দেবে, আমি বসে বসে খাব...’ দিতে হবে—যেখানে প্রয়োজন; দিচ্ছিও আমরা। ফ্যামিলি কার্ডসহ সব দিচ্ছি। কিন্তু সবাইকে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। 

তিনি আরও বলেন, সবাইকে পরিশ্রমের মাধ্যমে তার টাকা আর্ন করতে হবে। এটা হচ্ছে ইকোনমিতে একটা দেশকে সামনে যাওয়ার এগিয়ে যাওয়ার মূল কথা।

এ সময় সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সমাজকল্যাণ সচিব মোহাম্মদ আবু ইউছুফসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এসআর
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement