ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ১৪ জনের নামে মামলা
✎ অবজারভার প্রতিবেদক
⏲ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩০ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ১৪ জনের নামে মামলাজুলাই আন্দোলনে আহত এক ব্যক্তিকে সরকারি সুবিধার চেক দেওয়ার কথা বলে অর্থ দাবি, মারধর, নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’-এর ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে আদালতে  মামলার আবেদন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের  আদালতে জুলাইযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন এই মামলার আবেদন করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ইয়ামিন মিয়া জানান, আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে অভিযোগের বিষয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন- ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ভেরিফিকেশন অফিসার ইফতেখার হোসেন, এক্সিকিউটিভ মেম্বার সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী, সাইদুর রহমান শাহিদ, মেহেদী হাসান প্রিন্স, সাগর, আফজালু রহমান সায়েম, হারুন অর রশীদ, কামরুল হোসেন, আলিফ, জাহিদ, মোমেনুজ্জামান দিপু, সাজ্জাদ মোস্তফা, ফাতেমা আফরিন পায়েল ও ইয়াছিন মোল্লা। 

মামলায় অভিযোগ করা হয়, গিয়াস উদ্দিন জুলাইযোদ্ধা হিসেবে জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে চেক গ্রহণ করতে যান। তবে তা না পেয়ে বাংলামোটর এনসিপি অফিসে গিয়ে ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, তাসনিম জারা, স্নিগ্ধকে বিষয়টি অবগত করেন। তারা তাকে আশ্বস্ত করেন, জুলাই ফাউন্ডেশনে গেলে চেক দিয়ে দেবে। তবে আসামিরা কালক্ষেপণ করে বলে, আজ না কাল আসতে বলেন। পরে গত বছরের ৩ মে চেক নেওয়ার জন্য রমনা মডেল থানাধীন জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনে যান। আসামিরা তাকে জানান, চেকের ৩ লাখ টাকার ৫০ শতাংশ অর্থাৎ দেড় লখ টাকা দিলে তখনই ব্যাংক থেকে ক্যাশ করে ওই চেক নিতে পারবেন। তবে গিয়াস উদ্দিন চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান। তখন আসামিরা কৌশলে গোপন কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে প্রিন্স ও সাগর তার দুই হাত ধরলে শাহিদ ও সায়েম তাকে কিল-ঘুষি, লাথি মারে। পাশের ওয়ালে ফেলে দিলে রডের সঙ্গে গিয়ে মাথায় আঘাত পান। এতে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। পরবর্তী সময়ে আসামিরা তাকে সুস্থ করেন। তখন গিয়াস উদ্দিন দেখতে পান, তার শরীর দিয়ে রক্ত ঝরছে। চিৎকার ও কান্নাকাটি করলে শাহিদ, সায়েম ও কামরুল কিল-ঘুষি দিয়ে তাকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে হারুন ও কামরুল তাকে ফাউন্ডেশনের লিফটের সামনে রাখে। পরে তার ছেলে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করায়। 

গিয়াস উদ্দিন থানায় যান মামলা করতে। তবে থানা কর্তৃপক্ষ মামলা না নিয়ে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। পরে তারা তাকে আদালতে মামলা দায়েরের পরামর্শ দেন।

টিআইএস

Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement