পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং আইএসপিআর-এর মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী ভারতকে “সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী” বলে মন্তব্য করেছেন।
‘মারকা-ই-হক’-এর এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, পহেলগাম হামলায় পাকিস্তানের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ ভারত দেখাতে পারেনি এবং আন্তর্জাতিক মহলও ভারতের অভিযোগ বিশ্বাস করে না।
তিনি বলেন, ‘মারকা-ই-হক’-এর পর পাকিস্তান আঞ্চলিক নিরাপত্তার প্রধান শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ভারতের সামরিক বাহিনীর “রাজনীতিকরণ” এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের “সামরিকীকরণ” ঘটেছে।
আহমেদ শরিফ চৌধুরী আরও দাবি করেন, ভারত নিজেদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা, বিশেষ করে কাশ্মীর ও সংখ্যালঘু ইস্যু আড়াল করতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ তোলে। তিনি বলেন, আধুনিক যুদ্ধ এখন স্থল, আকাশ, সমুদ্র, সাইবারস্পেস ও তথ্যযুদ্ধ—সব ক্ষেত্রেই বিস্তৃত।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি পাকিস্তানে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের তথ্য তুলে ধরে আবারও অভিযোগ করেন, ভারত আফগানিস্তানকে ব্যবহার করে পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদের মদদ দিচ্ছে।
উল্লেখ্য, জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন পর্যটক নিহত হওয়ার ঘটনায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক সংঘাত শুরু হয়। সে সময় ভারত ‘অপারেশন সিন্দুর’ শুরু করে। এর বিপরীতে পাকিস্তান শুরু করে ‘অপারেশন বুনইয়ানুম মারসুস’ এবং ১০ মে যুদ্ধবিরতির মধ্য দিয়ে ভারত-পাকিস্তানের সামরিক উত্তেজনার মধ্য দিয়ে তা শেষ হয়, পাকিস্তান সেই যুদ্ধকে ‘মারকা-ই-হক’ বা ‘সত্যের যুদ্ধ’ হিসেবে উল্লেখ করে থাকে।
আরএন