ইরানের আগ্রাসনের জবাবে ইসরাইলে হামলা চালিয়েছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। এ পরিস্থিতিতে দখলদার রাষ্ট্র ইসরাইল সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছে।
সোমবার (২ মার্চ) সামরিক বাহিনীর প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির বলেন, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সোমবার ভোরে শুরু হওয়া লড়াই আরও ‘অনেক দিন’ চলতে পারে। তিনি জানান, হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে একটি আক্রমণাত্মক অভিযান শুরু করেছে ইসরাইল।
হিজবুল্লাহর দাবি করা রকেট হামলার জবাবে ইসরাইল **লেবানন**জুড়ে ব্যাপক বিমান হামলা চালায়। এতে অর্ধশতাধিক লেবাননের মানুষ নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। হামলার কয়েক ঘণ্টা পর জামির বলেন, “আমাদের কয়েক দিন ধরে এই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।”
এর আগে ইসরাইলের এক জ্যেষ্ঠ জেনারেল জানান, লেবাননে হামলার মাত্রা আরও বাড়ানো হবে। দেশটির সামরিক বাহিনীর নর্দার্ন কমান্ডের প্রধান রাফি মিলাও বলেন, হিজবুল্লাহ লেবানন রাষ্ট্রের বদলে ইরানি শাসনব্যবস্থাকে বেছে নিয়েছে এবং আমাদের বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা শুরু করেছে। তাদের এর জন্য বড় মূল্য দিতে হবে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সোমবার জানায়, ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত এবং ১৪৯ জন আহত হয়েছেন।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোশেফ আওন বলেন, ইসরাইলের দিকে রকেট নিক্ষেপ তার সরকারের লেবাননকে আঞ্চলিক যুদ্ধ থেকে দূরে রাখার প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
তিনি বলেন, আজ সকালে লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ অঞ্চলজুড়ে চলমান বিপজ্জনক সামরিক সংঘাত থেকে লেবাননকে দূরে রাখতে লেবানন রাষ্ট্র যে সব প্রচেষ্টা ও উদ্যোগ নিয়েছে, তা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে।
এসআর