ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
বাজারে সবজিতে কিছুটা স্বস্তি
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৫৮ পিএম
ফাইল ছবি
X

ফাইল ছবি

লেবু, শসা, বেগুনের মতো পণ্যের দাম কমার পাশাপাশি কিছু পণ্য রোজা শুরুর সময়ের তুলনায় আরও নিম্নমুখী হয়েছে। কমেছে ব্রয়লার মুরগীর দাম। কিন্তু ব্রয়লার মুরগীর চেয়ে মাছের দাম বেশি।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচা বাজারে এমন চিত্র দেখা যায়।

বাজারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকায় এবং পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। এক সপ্তাহের ব্যবধানে আলুর দাম কেজিতে ৫ টাকা এবং পেঁয়াজের দাম ২০ টাকা কমেছে।

রোজার আগের দিন যে লেবু হালিপ্রতি ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, বর্তমানে তা নেমে এসেছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। বড় আকারের লেবু বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়, যা রোজার আগে ১৫০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল।

একই ভাবে শসা ও বেগুনের দামও কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা কমেছে। বর্তমানে শসা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায় এবং বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। 

বাজারে ক্রেতা কম থাকায় ব্যবসায়ীরা বলছেন, দাম আপাতত স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনাই বেশি।

রোজার শুরুতে কাঁচা মরিচের দাম কেজিপ্রতি ২০০ টাকায় উঠেছিল। তবে বর্তমানে সেই দাম অনেকটাই কমেছে। বৃহস্পতিবার বিভিন্ন বাজারে ভালো মানের কাঁচা মরিচ খুচরায় বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা কেজিতে। আর পাড়া-মহল্লার ভ্যানে সাধারণ মানের মরিচ পাওয়া যাচ্ছে ১০০ টাকায়।

অন্যদিকে, রোজাকে কেন্দ্র করে ফুলকপি, মুলা ও শিমের মতো কিছু সবজির চাহিদা কমে গেছে। ফলে এসব পণ্যের দামও নেমে এসেছে। বর্তমানে শিম বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। একই দামে ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে মুলা, গাজর, পেঁপে, ফুলকপি ও বাঁধাকপিসহ পাঁচ থেকে ছয় ধরনের সবজি পাওয়া যাচ্ছে। চাহিদা কম থাকায় বাজারে এসব পণ্যে স্বস্তি ফিরেছে।

বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা দরে; যা গত সপ্তাহে ছিল ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে কমেছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। একই ভাবে দর কমেছে সোনালি জাতের মুরগির। এ জাতের মুরগি কিনতে ক্রেতাকে কেজিতে গুনতে হবে ৩০০ টাকা; যা সপ্তাহ আগে ছিল ৩২০  টাকা। এছাড়া, গরুর মাংসের কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৮০০ টাকায়। যা গত সপ্তাহের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পাঙ্গাস ২০০ টাকা থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, মৃগেল ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, দেশি টেংরা ৪৫০ টাকা, বেলে ২৫০ টাকা,  বাইন ৬০০ টাকা, চিংড়ি ৯০০ টাকা, পাবদা ৪০০, কই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, শিং ৪০০শ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, সইল ৭০০ টাকা, টাকি ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে চিংড়ির দাম বেশি দেখা গেছে। আকার ও জাতভেদে প্রতি কেজিতে খরচ করতে হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা।

মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটে বাজার করতে আসা কাঞ্চন মিয়া বলেন, এক কেজি পাঙ্গাস বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকা থেকে ২৫০ টাকায়। আগে এই দুটি মাছের দাম অন্যান্য মাছের তুলনায় কম ছিল। এখন সেগুলোর দামও বেড়ে গেছে। রুই, কাতলা কিংবা টেংরার দিকে তাকানো যাবে না। সেগুলো নিলে ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকার বাজেট লাগবে। আমরা নিম্নআয়ের মানুষ এত টাকা দিয়ে মাছ কিনে খেতে পারবো না।

গরু ও মুরগীর তুলনায় মাছের বাজারে ক্রেতাদের ভিড় বেশি। অনেকেই মাছের দাম করে চলে যেতে দেখা যায়। তবে মাছের বাজারের তুলনায় ব্রয়লার মুরগির দাম কম বলে মনে করছেন ক্রেতারা। ক্রেতা কিছুটা কম বলেও জানান বিক্রেতারা।

রায়ের বাজার এলাকার মুরগি ব্যবসায়ী জামাল হোসেন বলেন, বাজারে ব্রয়লা মুরগির সংকট কমেছে। বাজারে পর্যাপ্ত মাল রয়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় দামও কমেছে।

ব্রয়লার মুরগির ক্রেতা আনিসুল ইসলাম বলেন, ১৭৫ টাকায় ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে। আমি একটি কিনেছি। আমি এক কেজি ৭০০ গ্রামের একটু বেশি ওজনেরটা কিনেছি ৩০০ টাকায়। প্রথম রোজার দিন ১৯০ টাকা কেজি কিনতে হয়ছে।

এমএ


Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝