গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় ষড়যন্ত্র করে পেঁয়াজের জমিতে পচনশীল ঔষধ ব্যবহার করেছে। এতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ভুক্তভোগী পেঁয়াজ চাষিরা।
জানা গেছে, পার্শ্ববর্তী ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামের ইমরান মিয়া, বসার মিয়া, আজাদ ফকির সহ কয়েকজন কৃষক গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ও পশারগাতী ইউনিয়নের সুরুপী মৌজার প্রায় ১০/১৫ একর জমি লিজ নিয়ে পেঁয়াজ চাষাবাদ করেছেন। ঐ মাঠে খুব সুন্দর পেঁয়াজ দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু মাঠে কয়েক দিন আগে প্রায় ৮/৯ বিঘা পেঁয়াজের জমিতে রাতের অন্ধকারে কে বা কারা গোড়া পচনশীল ঔষধ প্রয়োগ করেছে। এতে করে জমির পেঁয়াজ দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে জমির চাষাবাদকারী কৃষককে অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
এ ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আজাদ ফকিরের ছেলে জাহিদ ফকির পশারগাতী ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামের হান্নু শেখকে বিবাদী করে মুকসুদপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
মুকসুদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: মিজানুর রহমান ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পেঁয়াজের জমিগুলো পরিদর্শন করেন এবং পেঁয়াজ মাঠের পরিস্থিতি দেখে জমিতে প্যারাকুয়েট নামক আগাছা নাশক ঔষধ প্রয়োগ করেছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন। এতে ধীরে ধীরে পেঁয়াজের গাছ সুখিয়ে মারা যাবে এবং পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
কৃষি অফিসার আরো বলেন, কারবেন্ডাজিম জাতীয় ছত্রাকনাশক দুইদিন পরপর স্প্রে, কুইক পটাশ স্প্রে ও গাছ একটু রিকভার করলে পিজিয়ার স্প্রে করলে কিছুটা ক্ষতি কম হবে।
এমএইচএম/এসআর