For English Version
শনিবার, ০৪ জুলাই, ২০২০
হোম সারাদেশ

শুক্রবার বসছে পদ্মা সেতুর ১৪তম স্প্যান

Published : Thursday, 27 June, 2019 at 3:14 PM Count : 107

আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে শুক্রবার পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের মাঝপদ্মায় বসতে পারে ১৪তম স্প্যান। সেতুর ১৫ ও ১৬ নম্বর পিলারে স্প্যানটি বসানো হলে দৃশ্যমান হবে সেতুর ২১শ’ মিটার। বৃহস্পতিবার স্প্যানটি বসানোর কথা ছিলো। কিন্তু বৈরি আবহাওয়ার কারণে তা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন পদ্মা সেতু প্রকল্পের উপ-সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির। 

এর আগে গত ২৫ মে ১৪ ও ১৫ নম্বর পিলারের ওপর বসানো হয় ১৩তম স্প্যানটি। এ পর্যন্ত পদ্মা সেতুতে স্থায়ী ১১টি স্প্যান ও দু'টি অস্থায়ী স্প্যান মিলে সেতুর মোট ১৯শ' ৫০ মিটার দৃশ্যমান হয়েছে।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের উপ-সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির জানান, আবহাওয়া অনুকূলে আসলে আজ (বৃহস্পতিবার) দিনের এক সময় ৩ হাজার ৬শ’ টন ধারণ ক্ষমতার ‘তিয়ান ই’ নামের ভাসমান ক্রেনবাহী জাহাজটি কুমারভোগ কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে স্প্যানটি ১৫ ও ১৬ নং খুঁটির সামনে নিয়ে নোঙ্গর করে রাখা হবে। 

এদিকে, জাজিরাপ্রান্তে ৯টি স্থায়ী স্প্যান বসানোর মাধ্যমে সেতুর ১ হাজার ৩শ ৫০ মিটার ও মাওয়া প্রান্তে দু'টি স্থায়ী এবং একটি অস্থায়ী স্প্যান মিলে মোট ৪শ ৫০ মিটার এবং সেতুর মাঝ বরাবর একটি স্প্যান অস্থায়ীভাবে বসানোয় সেতুর মোট ১৯শ’৫০ মিটার আগেই দৃশ্যমান আছে। তবে, স্প্যানগুলো ভিন্ন ভিন্ন মডিউলে বসানোর কারণে দৃশ্যমান অংশগুলো এক সারিতে নয় বরং বিচ্ছিন্নভাবে থাকবে।

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতুতে ৪২টি পিলারের ওপর বসবে ৪১টি স্প্যান।





২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পদ্মা সেতুতে বসানো হয় প্রথম স্প্যান। এর প্রায় চার মাস পর ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি দ্বিতীয় স্প্যানটি বসে। এর দেড় মাস পর ১১ মার্চ জাজিরা প্রান্তে তৃতীয় স্প্যান বসানো হয়। এর দুই মাস পর ১৩ মে বসে চতুর্থ স্প্যান। এরপর এক মাস ১৬ দিনের মাথায় পঞ্চম স্প্যানটি বসে ২৯ জুন। ৬ মাস ২৫ দিনের মাথায় ২০১৮ সালের ২৩  জানুয়ারি বসে ষষ্ঠ স্প্যানটি। ২০ ফেব্রুয়ারি ৩৫ ও ৩৬ নম্বর পিলারে বসে জাজিরাপ্রান্তের সপ্তম স্প্যান। ২২ মার্চ বসে অষ্টম স্প্যান ও মাওয়াপ্রান্তে গত ১০ এপ্রিল বসে নবম স্প্যান। জাজিরাপ্রান্তে মাত্র ১৩ দিনের ব্যবধানে ২২ এপ্রিল স্থায়ীভাবে বসে দশম স্প্যান। গত ২৩ এপ্রিল পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তে ৩৩ ও ৩৪ নম্বর পিলারের ওপর ১১তম স্প্যান বসানো হয়েছে। গত ৬ মে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের মাঝামাঝি স্থানে অস্থায়ীভাবে ২০ ও ২১ নম্বর পিলারে বসানো হয় পদ্মা সেতুর ১২তম স্প্যান।

বহুমুখী পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে সবমিলিয়ে খরচ হচ্ছে প্রায় ৩০ হাজার ১৯৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে মূল সেতু নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১২ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে সে দেশেরই আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দুই স্তর বিশিষ্ট। স্টিল ও কংক্রিট দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। সেতুর উপরের স্তরে থাকবে চার লেনের সড়কপথ এবং নিচের স্তরটিতে থাকবে একটি একক রেলপথ। বিশ্বের সবচেয়ে বড় হ্যামার দিয়ে কাজ চলছে পদ্মা সেতুর। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এ সেতু নির্মাণে প্রতিদিন দেশি-বিদেশী ৩-৪ হাজার শ্রমিক কাজ করছে।

-এমএইচএস/এমএ


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60, Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft