ইরানের কেশম দ্বীপ থেকে বন্দর আব্বাস, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় হঠাৎ শোনা গেল বিস্ফোরণের শব্দ। হরমুজ প্রণালির কাছের এসব ঘটনায় কী ঘটেছে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।
রোববার (৮ নভেম্বর) ভোরে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবাহিনী জানায়, হরমুজ প্রণালির ‘অননুমোদিত পথে’ চলাচলের চেষ্টা করার সময় মাইনে আঘাত লেগে দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন ধরে যায়।
এর আগে, গত শনিবার সন্ধ্যায় ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়, কেশম দ্বীপ ছাড়াও জাস্ক, সিরিক ও বন্দর আব্বাস শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এসব এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে কি না, তা ইরানি কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেননি।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ধারণা, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক তৎপরতার সঙ্গে এসব বিস্ফোরণের সম্পর্ক থাকতে পারে।
অন্যদিকে, আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম একটি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, কেশম দ্বীপে শোনা বিস্ফোরণের শব্দের সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কোনো সম্পর্ক নেই।
হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ লঙ্ঘনের অভিযোগে বিভিন্ন জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরান। জলপথটির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করছে তেহরান।
এর আগে শনিবার তাসনিম জানিয়েছিল, কেশম দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তবে, ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
কয়েক দিন আগে দ্বীপটিতে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছিল। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, ওই হামলা ছিল সীমিত পরিসরের।
এদিকে, শনিবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, নৌ-অবরোধ ভেঙে যাওয়ার চেষ্টা করা একটি বাণিজ্যিক জাহাজকে অচল করে দিয়েছে মার্কিন বাহিনী।
ইরানের কেশম দ্বীপ থেকে বন্দর আব্বাস, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় হঠাৎ শোনা গেল বিস্ফোরণের শব্দ। হরমুজ প্রণালির কাছের এসব ঘটনায় কী ঘটেছে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।
রোববার (৮ নভেম্বর) ভোরে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবাহিনী জানায়, হরমুজ প্রণালির ‘অননুমোদিত পথে’ চলাচলের চেষ্টা করার সময় মাইনে আঘাত লেগে দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন ধরে যায়।
এর আগে, গত শনিবার সন্ধ্যায় ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়, কেশম দ্বীপ ছাড়াও জাস্ক, সিরিক ও বন্দর আব্বাস শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এসব এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে কি না, তা ইরানি কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেননি।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ধারণা, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক তৎপরতার সঙ্গে এসব বিস্ফোরণের সম্পর্ক থাকতে পারে।
অন্যদিকে, আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম একটি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, কেশম দ্বীপে শোনা বিস্ফোরণের শব্দের সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কোনো সম্পর্ক নেই।
হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ লঙ্ঘনের অভিযোগে বিভিন্ন জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরান। জলপথটির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করছে তেহরান।
এর আগে শনিবার তাসনিম জানিয়েছিল, কেশম দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তবে, ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
কয়েক দিন আগে দ্বীপটিতে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছিল। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, ওই হামলা ছিল সীমিত পরিসরের।
এদিকে, শনিবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, নৌ-অবরোধ ভেঙে যাওয়ার চেষ্টা করা একটি বাণিজ্যিক জাহাজকে অচল করে দিয়েছে মার্কিন বাহিনী।
জাহাজটি অবরোধ লঙ্ঘনের চেষ্টা করলে একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান থেকে সেটির পেছনের অংশ লক্ষ্য করে হামলাটি চালানো হয়।