ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
সম্পর্কের ইতি টানা জরুরি- কীভাবে বুঝবেন
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:৫৪ এএম
সংগৃহীত ছবি
X

সংগৃহীত ছবি

বৈবাহিক বা দাম্পত্য সম্পর্ক গড়ে ওঠার মুল ভিত্তিই হচ্ছে ভালোবাসা, বিশ্বাস আর পারস্পরিক সম্মান। সেখানেই যাদি ফাঁক থাকে তখন সে সম্পর্কে ফাটল ধরে। আর সম্পর্কের ভিত মজবুত না হলে সেখান থেকে বেরিয়ে আসাটাই জীবনের জন্য বেশি জরুরি হয়ে পড়ে।

কোনো সম্পর্কে আপনি ভালো নেই বা সম্পর্কটি আর কাজ করছে না, তা মেনে নিয়ে রোজকার জীবন যাপন করা কঠিন। তবে কিছু লক্ষণ স্পষ্ট করে দেয় যে এখন সম্পর্কের ইতি টানার সময় এসেছে।

পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের অভাব
সম্পর্কের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলো একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা। যদি সঙ্গী কথায় বা আচরণে প্রতিনিয়ত আপনাকে ছোট করে, আপনার মতামতকে অবজ্ঞা করে কিংবা আপনার আত্মসম্মানে আঘাত লাগে এমন আচরণ করে, তবে বুঝতে হবে সেই সম্পর্ক সুস্থ নয়।

যে সম্পর্ক আপনাকে মানসিক শান্তি দেওয়ার কথা, সেটি যদি প্রতিদিনের বিষণ্ণতা আর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তবে তা পুনর্বিবেচনা করা উচিত। সম্পর্কে ভালো মুহূর্তের চেয়ে যদি খারাপ বা কান্নার মুহূর্ত বেশি হতে থাকে, তবে সেখানে আর থাকা ঠিক নয়।

যোগাযোগের ঘাটতি বা দূরত্ব
যেকোনো ভুল-বোঝাবুঝি দূর করার মাধ্যম হলো সুস্থ আলোচনা। কিন্তু আপনার সম্পর্কের কথা বলা যদি শুধুই ঝগড়া দিয়ে শেষ হয়, কিংবা সঙ্গী যদি আপনার আবেগ ও অনুভূতি বুঝতে সম্পূর্ণ অনিচ্ছা প্রকাশ করে (যাকে ইমোশনাল ডিটাচমেন্ট বলা হয়), তবে সেই সম্পর্কের আয়ু ফুরিয়ে এসেছে।

আস্থা হারিয়ে যাওয়া এবং প্রতিনিয়ত সন্দেহ
বিশ্বাস একবার ভেঙে গেলে তা জোড়া লাগানো কঠিন। যদি সম্পর্কে সারাক্ষণ একে অপরকে সন্দেহ করতে হয়, লয়ালটি বা সততা নিয়ে বারবার প্রশ্ন ওঠে এবং কোনোভাবেই আর বিশ্বাস ফিরে না আসে, তবে সেই বন্ধন বয়ে বেড়ানো অর্থহীন।

একতরফা চেষ্টা ও আপস
একটি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব দুজনেরই। কিন্তু যদি প্রতিবার আপনাকেই মানিয়ে নিতে হয়, সব ভুল নিজের ঘাড়ে নিতে হয় এবং সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে সঙ্গী কোনো ধরনের চেষ্টাই না করে, তবে একা সেই বোঝা টানা বন্ধ করা উচিত।

ভবিষ্যতের লক্ষ্যের ভিন্নতা
দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুজনের জীবনের লক্ষ্য ও মূল্যবোধের সামঞ্জস্য থাকা জরুরি। যদি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোতে (যেমন ক্যারিয়ার, পরিবার বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা) আপনাদের পথ সম্পূর্ণ ভিন্ন দিকে চলে যায় এবং কেউ কাউকে ছাড় দিতে না পারেন, তবে আলাদা হওয়াই শ্রেয়।

শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন
যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা নির্যাতন, তা শারীরিক বা মানসিক যা-ই হোক না কেন, বরাবরই সম্পর্কের চূড়ান্ত রেড ফ্ল্যাগ বলে বিবেচিত। আপনার নিরাপত্তা এবং আত্মমর্যাদার চেয়ে কোনো সম্পর্ক বড় হতে পারে না। এমন পরিস্থিতিতে অবিলম্বে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা উচিত।

 এসএ
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১
E-mail: [email protected], [email protected]. [email protected], [email protected], [email protected], ‍[email protected], Online-email: [email protected]

🔝