আজ ৬ নভেম্বর, বিশ্ব চিৎকার বন্ধ দিবস। রাগ, ক্ষোভ কিংবা মতবিরোধের সময় চিৎকারের পরিবর্তে ধৈর্য, সহনশীলতা ও শান্তিপূর্ণ যোগাযোগের অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে দিবসটি পালিত হয়।
২০২১ সালে যুক্তরাজ্যে দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ব্রিটিশ মনোচিকিৎসা পরামর্শক ইয়াসমিন শাহিন-জাফফার এ উদ্যোগের সূচনা করেন। মানুষের মধ্যে চিৎকারের নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিই ছিল এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
দিবসটির লক্ষ্য হলো পরিবার, কর্মক্ষেত্র ও সামাজিক জীবনে উচ্চস্বরে কথা বলা ও আক্রমণাত্মক আচরণের পরিবর্তে পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহনশীলতার চর্চা বাড়ানো। কারণ, নিয়মিত চিৎকার ও উত্তেজনাপূর্ণ আচরণ মানুষের মানসিক সুস্থতা এবং পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে উচ্চস্বরে বকাঝকা বা চিৎকার মানসিক চাপ তৈরি করতে পারে। তাই কাউকে দোষারোপ না করে তার অনুভূতি বোঝা, মনোযোগ দিয়ে কথা শোনা এবং উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধরার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
দিবসটি উপলক্ষে মানুষের প্রতি আহ্বান—রাগের মুহূর্তে চিৎকার না করে নিজের অনুভূতি শান্তভাবে প্রকাশ করুন। অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দিন এবং মতবিরোধের সমাধান করুন আলোচনার মাধ্যমে।
চিৎকার নয়, বরং সহমর্মিতা, সংযম ও সুন্দর যোগাযোগের মধ্য দিয়ে সম্পর্কগুলো আরও মানবিক করে তোলাই বিশ্ব চিৎকার বন্ধ দিবসের মূল বার্তা।
এফএস