২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার নেমে এসেছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে। গত ২২ বছরের মধ্যে এটিই সর্বনিম্ন পাসের হার। বিশেষ করে বরিশাল, যশোর ও দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে প্রতি ১০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৫৫ জনই অকৃতকার্য হয়েছেন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, সর্বশেষ ২০০৪ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৪৮ শতাংশ। এরপর গত ২২ বছরে পাসের হার আর কখনো এত নিচে নামেনি।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০৫ সালে পাসের হার ছিল ৫৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। ২০০৬ সালে তা বেড়ে প্রায় ৬৪ শতাংশে দাঁড়ায়। ২০০৮ সালে প্রায় ৭৫ শতাংশ এবং ২০১২ সালে ৭৬ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেন।
পরবর্তী বছরগুলোতেও পাসের হারে ওঠানামা দেখা যায়। ২০১৭ সালে পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ, ২০১৮ সালে ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং ২০১৯ সালে প্রায় ৭২ শতাংশ।
করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ২০২০ সালে সব শিক্ষার্থীকে পাস করানো হয়। ২০২১ সালে পাসের হার ছিল ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এরপর ২০২২ সালে তা কমে ৮৫ দশমিক ৯৫ শতাংশে দাঁড়ায়। ২০২৩ সালে পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালে পাসের হার আরও কমে ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশে নেমে আসে। এবার সেই হার কমে দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে।
শনিবার বেলা ১১টায় সচিবালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার গিয়াস উদ্দিন রিমন, বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামানসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।
আরএন