কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ডিভিশন টু’র মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ চলছে। এই ম্যাচ জিতলে কাউন্টির ডিভিশন টু থেকে ওয়ানে উন্নীত হবে কেন্ট। ম্যাচ ড্র হলে বা হারলেও সুযোগ থাকবে, তবে তখন তাদের অন্য দলের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করতে হবে। জয়ই কেন্টের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত হবে– এমন সমীকরণে নেমে আশা জাগানিয়া স্পেল উপহার দিলেন বাংলাদেশি পেসার খালেদ আহমেদ।
কেন্টের হয়ে অভিষেক হওয়ার পর দুই ম্যাচে ১১ উইকেট নেওয়া খালেদ এবার শিকার করলেন ৩ উইকেট। ১১ ওভারে ৩৭ রান খরচায় এই স্পেল সাজান ডানহাতি এই পেসার। তার সতীর্থরাও ভালো বল করেছেন। ৫৫ রানে ৪ উইকেট নিয়ে কেন্টের সেরা বোলার ম্যাট মিলনেস। তাদের বোলিং তোপে প্রতিপক্ষ গ্লস্টারশায়ার প্রথম ইনিংসে ২২৯ রানে অলআউট হয়েছে।
দুর্দান্ত এক স্পেলে খালেদ যখন ৩ উইকেট তুলে নিয়েছেন, তখন ধারাভাষ্যকার বলছিলেন, ‘এই স্পেলটি গ্লস্টারশায়ারের মিডল অর্ডার থেকে নিচের দিকের ব্যাটিং লাইনআপের প্রাণ বের করে নিয়েছে…।’ প্রতিপক্ষের জন্য তার বোলিং স্পেল যেমন হতাশার ছিল, তেমনি কেন্টের প্রথম ডিভিশন কাউন্টিতে খেলার আশা বাড়িয়ে দিয়েছে।
এর আগে কেন্ট ঘরের মাঠ ক্যান্টারবুরির সেন্ট লরেন্স গ্রাউন্ডে ঘাসে ভরা উইকেটে টস জিতে ফিল্ডিং নামে। তৃতীয় ওভারে দলকে প্রথম উইকেট এনে দেন মিলনেস। খালেদ আক্রমণে আসেন চতুর্থ বোলার হিসেবে। যদিও ৫ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য। কিছুক্ষণ পর আক্রমণে ফিরেই খালেদ আঘাত হানেন। তার বলে ড্রাইভ করার চেষ্টায় ব্যাটের কানায় লেগে বোল্ড হন দারিয়ুশ আহমেদ।
এরপর সাই কিশোরকে ফেরান খালেদ। তার লেংথ ডেলিভারিটি বেশ লাফিয়ে উঠলে শূন্য রানেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ভারতীয় এই ক্রিকেটার। একই স্পেলে খালেদের শেষ শিকার চে সিমন্স। ইনসুইংয়ে অফ স্টাম্প ভেঙে দেন বাংলাদেশি তারকা। যদিও গ্লস্টারকে অলআউট করতে শেষদিকে কিছুটা অপেক্ষা করতে হয়েছে কেন্টকে। প্রতিপক্ষ দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৬ রান করা ব্রেসি ফেরেন নবম উইকেট হিসেবে।
এরপর নিজেদের প্রথম ইনিংসে কেন্ট এখন পর্যন্ত ১ উইকেট হারিয়ে ৭১ রান করেছে। দলীয় ১ রানেই জ্যাক ক্রাউলি আউট হওয়ার পর এখন কম্পটন ৩৩ ও নর্থইস্ট ২৭ রানে অপরাজিত আছেন।
এসএ