অর্থ পাচার মামলায় অবরুদ্ধ, সংযুক্ত ও সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা সম্পদ থেকে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে বিদ্যমান ‘মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২’ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত এক কমিটির প্রথম সভায় এই আইন সংশোধনের বিষয়ে বিভিন্ন মতামত ও প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয় গত ১৩ সেপ্টেম্বর ‘অর্থ পাচার সংক্রান্ত মামলায় অবরুদ্ধ, সংযুক্ত এবং সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্তকৃত সম্পদ হতে রাজস্ব আদায়’ বিষয়ক এই কমিটি গঠন করেছে।
অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলের সভাপতিত্বে রোববার অনুষ্ঠিত কমিটির প্রথম সভাটি পরিচালনা করেন সদস্যসচিব ও কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের (সিআইআইডি) মহাপরিচালক মোহাম্মদ সাইফুর রহমান।
সভায় ন্যায়বিচার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং অর্থ পাচার প্রতিরোধের লক্ষ্যে বিদ্যমান আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ ছাড়া এসব বিষয়ের কারিগরি ও বিশেষায়িত দিকগুলোতে কার্যকর পরামর্শ পাওয়ার জন্য অর্থ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) থেকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিশেষজ্ঞকে কমিটিতে যুক্ত (কো-অপ্ট) করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সভায় অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ পুনরুদ্ধার করে তা রাষ্ট্রের অনুকূলে কার্যকরভাবে ব্যবহারের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আজিমুদ্দিন বিশ্বাস, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলের (সিআইসি) মহাপরিচালক সেলিনা সুলতানা, সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ বাশির উদ্দিন এবং সিআইডির পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম (পিপিএম) উপস্থিত ছিলেন।
কমিটিতে গবেষণা সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আল ফয়সাল সিদ্দিকী।
এসএ