বুয়েট ছাত্র তারিকুজ্জামান সানি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল আবারও পিছিয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তদন্ত কর্মকর্তা তা দাখিল করতে পারেননি। পরে আগামী ৬ অক্টোবর প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুর রহমান এ তারিখ নির্ধারণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাঝহারুল ইসলাম।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ নিয়ে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৪৩ বার সময় নেওয়া হলো। দীর্ঘ চার বছরের বেশি সময়েও তদন্ত শেষ না হওয়ায় মামলার অগ্রগতি নিয়ে সানির পরিবারের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কুতুবপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মশিউর রহমান। এর আগে সর্বশেষ গত ৩ আগস্ট তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। সেদিনও প্রতিবেদন জমা না পড়ায় ৬ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে নির্ধারিত দিনেও প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় তদন্ত সংস্থা আরও এক মাস সময় পেয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৪ জুলাই ঢাকা থেকে ১৬ জনের একটি দল আটটি মোটরসাইকেলে করে মৈনট ঘাটে ঘুরতে যায়। রাতে পদ্মা নদীর তীরে সানি নিখোঁজ হন। পরদিন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
সানিকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগ তুলে ওই রাতেই তার বড় ভাই হাসানুজ্জামান দোহার থানায় মামলা করেন। মামলায় সানির ১৫ সফরসঙ্গীকে আসামি করা হয়।
মামলার আসামি শরীফুল হোসেন, শাকিল আহম্মেদ, সেজান আহম্মেদ, রুবেল, সজীব, নুরজামান, নাসির, মারুফ, আশরাফুল আলম, জাহাঙ্গীর হোসেন লিটন, নোমান, জাহিদ, এটিএম শাহরিয়ার মোমিন, মারুফুল হক মারুফ ও রোকনুজ্জামান ওরফে জিতু। তারা বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।
মামলাটি শুরু থেকেই কুতুবপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তারা তদন্ত করছেন। তবে চার বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা পড়েনি। আগামী ৬ অক্টোবর প্রতিবেদন দাখিল হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর বাদীপক্ষ ও সংশ্লিষ্টদের।
এফএস