গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে একটি মরদেহ নিয়ে নাটোর যাওয়ার পথে কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্সের চালকসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন।
নিহত ইয়ারুন নাহার লাকী (৪৫) গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার বাঘিয়া গ্রামের আলতাফ হোসেন সিকদার সবুজের স্ত্রী।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের তালবাড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার ইনস্পেক্টর আলম হোসেন বলেন, সকালে গাজীপুর থেকে একটি লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স নাটোরের দিকে যাচ্ছিল। তালবাড়িয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকাগামী একটি কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর অ্যাম্বুলেন্সটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা ইয়ারুন নাহার লাকী নিহত হন এবং চালকসহ পাঁচজন আহত হন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে লাকীর ছোট বোন খাইরুন নাহার সম্পার স্বামী রফিকুল ইসলাম (৫০)-এর মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে নাটোরের বড়াইগ্রামে নেওয়া হচ্ছিল।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করে। পরে খাদে পড়ে থাকা অ্যাম্বুলেন্স থেকে আহতদের উদ্ধার করে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর গুরুতর আহতদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহতরা হলেন—নূরুন নাহার লিপি, খাইরুন নাহার সম্পা, নূর আলম, আলতাফ হোসেন সবুজ, সিয়াম ও অ্যাম্বুলেন্সচালক।
হাইওয়ে পুলিশের এএসআই মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর এর চালক পালিয়ে গেছেন।
এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ।
এনএস/আরএন