বাজারে সারের যে চাহিদা রয়েছে, তার চেয়ে বহুগুণ বেশি সার মজুদ আছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ। একই সঙ্গে আগামীতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রপ্তানিযোগ্য পণ্য কৃষিপণ্য হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মানিকগঞ্জ, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলার নদীবিধৌত চরাঞ্চলের সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগীদের প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের কৃষিপণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। উৎপাদনের মৌসুমে কৃষক যাতে কম দামে পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য না হন, সে জন্য সংরক্ষণব্যবস্থা জোরদার করা হবে। এ লক্ষ্যে দেশে মিনি কোল্ডস্টোরেজ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের সম্ভাবনা অনেক বেশি। সঠিক পরিকল্পনা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং যথাযথ সংরক্ষণব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলে আগামীতে কৃষিপণ্যই দেশের সর্বোচ্চ রপ্তানিযোগ্য পণ্য হতে পারে।
অনুষ্ঠান শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে মা-বকনা গরু ও দানাদার খাদ্য বিতরণ করেন কৃষিমন্ত্রী। পরে গজারিয়ার মাথাভাঙ্গা এলাকায় ফুলদি নদীর খালে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব খাতের আওতায় পোনামাছ অবমুক্ত করেন তিনি।
মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, জেলা পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক গোলাম মোস্তফা খানসহ উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের কর্মকর্তারা।