বাংলাদেশ আইন সমিতির সদস্য ও তাদের পরিবারের জন্য ছুটি গ্রুপের রিসোর্টগুলোতে বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করতে ছুটি রিসোর্ট লিমিটেড ও বাংলাদেশ আইন সমিতির মধ্যে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাবির কাজী মোতাহার হোসেন ভবনে অবস্থিত বাংলাদেশ আইন সমিতির কার্যালয়ের এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
চুক্তিতে ছুটি রিসোর্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট মোস্তফা মাহমুদ আরিফী এবং বাংলাদেশ আইন সমিতির সেক্রেটারি ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খান স্বাক্ষর করেন।
সমঝোতা স্মারকের আওতায় বাংলাদেশ আইন সমিতির সকল সদস্য ছুটি গ্রুপের বিদ্যমান চারটি রিসোর্টের বিভিন্ন সেবা ও প্যাকেজে বিশেষ ৫০ শতাংশ ছাড় পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে কর্পোরেট ডে-আউট, ফ্যামিলি ডে-আউট, নাইট স্টে, বার্ষিক এজিএম, কনফারেন্স এবং ডেস্টিনেশন ওয়েডিং প্যাকেজ।
ছুটি গ্রুপের বিদ্যমান চারটি রিসোর্ট হলো—ছুটি রিসোর্ট গাজীপুর, ছুটি রিসোর্ট পুবাইল, ছুটি রিসোর্ট পূর্বাচল এবং ছুটি ফরেস্ট ঈগল রিসোর্ট, শ্রীমঙ্গল।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ছুটি রিসোর্ট পূর্বাচলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা আলমগীর ফেরদৌস, ছুটি রিসোর্ট গাজীপুরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা মো. মোস্তফা কামাল, ছুটি রিসোর্ট পুবাইলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা শামসুল ইসলাম মাসুদ এবং বাংলাদেশ আইন সমিতির যুগ্ম সম্পাদক মামুনুর রশীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার সালেহ আকরাম সম্রাট, প্রচার সম্পাদক এডভোকেট আব্দুস সাত্তার রনি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আবদুল্লাহ-আল-মাসুদ, আপ্যায়ন সম্পাদক এডভোকেট সাগর তপাদারসহ অন্যান্য সদস্য।
ছুটি গ্রুপের ১৪ বছরের পথচলা
২০১২ সাল থেকে গত ১৪ বছরের পথচলায় ছুটি গ্রুপ বাংলাদেশের আতিথেয়তা ও ইকো-ট্যুরিজম খাতে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে। প্রাকৃতিক পরিবেশ, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং অতিথিদের উন্নত অভিজ্ঞতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে নতুন গন্তব্য ও অভিজ্ঞতা তৈরি করে চলেছে।
এরই ধারাবাহিকতায় নির্মাণাধীন রয়েছে ছুটি হারমনি, ছুটি বিচ রিসোর্ট (ইনানী), সালতানাত টি রিসোর্ট, সালতানাত হাইওয়ে ভিলেজ এবং আনন্দবাড়ি। এসব প্রকল্প সম্পন্ন হলে বাংলাদেশ আইন সমিতির সদস্যরাও নতুন গন্তব্যগুলোতে একই বিশেষ সুযোগ-সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এই সমঝোতা স্মারক দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের পাশাপাশি সদস্যদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরীণ আতিথেয়তা ও পর্যটন খাতের বিকাশেও এ ধরনের উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।