বাংলাদেশের রাজনীতিতে কিছু শব্দ আছে, যেগুলো কেবল রাজনৈতিক অভিধানের অংশ নয়—ক্ষমতার লড়াইয়ে এগুলো অস্ত্র হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। ‘ফ্যাসিস্ট’ এখন তেমনই একটি শব্দ। প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করতে, তার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে কিংবা জনগণের কাছে তাকে অগ্রহণযোগ্য করে তুলতে শব্দটির ব্যবহার ক্রমেই বেড়ে চলেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি সে ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নাকি কোনো দল বা সরকারের রাজনৈতিক আচরণ, প্রতিষ্ঠানবিরোধী অবস্থান, ক্ষমতা প্রয়োগের ধরন এবং ভিন্নমতের প্রতি মনোভাবের ভিত্তিতেই এই পরিচয় নির্ধারিত হওয়া উচিত?
সাম্প্রতিক বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই প্রশ্নটি নতুন করে সামনে এসেছে। বিশেষ করে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে স্বৈরাচারী প্রবণতা এবং ফ্যাসিবাদী রাজনীতির দিকে অগ্রসর হওয়ার অভিযোগ তুলেছে। জামায়াতের নেতারা বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থানকে একদলীয় শাসনের প্রবণতা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। কখনো বিএনপিকে ‘ফ্যাসিস্ট’, কখনো ‘পলাতক ফ্যাসিস্টের পথ অনুসরণকারী’ হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়েছে।
এনসিপির বক্তব্যও অনেকটা একই ধরনের। তাদের আশঙ্কা, বিএনপি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পথ থেকে সরে গেলে ভবিষ্যতে স্বৈরাচারী কিংবা ফ্যাসিবাদী চরিত্র ধারণ করতে পারে।
বিএনপি যে সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়, সেটি বলার অপেক্ষা রাখে না। একটি নির্বাচিত সরকারও জবাবদিহির বাইরে থাকতে পারে না। ক্ষমতাসীন দল যদি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করে, বিরোধী মতকে দমন করে, নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করে কিংবা রাষ্ট্রক্ষমতাকে স্থায়ী রাজনৈতিক আধিপত্যের হাতিয়ারে পরিণত করার চেষ্টা করে, তবে তার বিরুদ্ধে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। কিন্তু একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠতে পারে—যারা বিএনপিকে ফ্যাসিবাদের পাঠ পড়াচ্ছে, তাদের নিজেদের রাজনৈতিক অতীত ও বর্তমান কি সেই নৈতিক অবস্থানকে সমর্থন করে?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে জামায়াতে ইসলামীর ইতিহাস এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামীর সবচেয়ে বড় ঐতিহাসিক বিতর্কের কেন্দ্র ১৯৭১। দলটির তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্ব বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল এবং পাকিস্তানি রাষ্ট্রের অখণ্ডতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের সময় দলটির রাজনৈতিক অবস্থান এবং এর নেতাদের ভূমিকা বাংলাদেশের ইতিহাসের অত্যন্ত বিতর্কিত ও বেদনাদায়ক অধ্যায়ের অংশ।
আজ জামায়াত বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষার রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে চায়। কিন্তু একটি দলের বর্তমান রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে তার অতীতকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলা সম্ভব নয়। রাজনৈতিক পুনর্গঠন অবশ্যই সম্ভব, মতাদর্শের পরিবর্তনও সম্ভব; কিন্তু ইতিহাসের জবাবদিহি এড়িয়ে রাজনৈতিক নৈতিকতার দাবি করা কঠিন।
বিশেষ করে যখন সেই দলই অন্য একটি রাজনৈতিক দলের অতীত ও সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ আচরণকে গণতন্ত্রের মানদণ্ডে বিচার করতে চায়।
জামায়াতের সমালোচনার অর্থ এই নয় যে দলটির প্রতিটি নেতা বা সমর্থক সহিংস কিংবা গণতন্ত্রবিরোধী। কিন্তু একটি রাজনৈতিক সংগঠনকে বিচার করার সময় তার দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ইতিহাস, সাংগঠনিক আচরণ এবং ক্ষমতার প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গিও বিবেচনায় রাখতে হয়।
জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডও বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিতর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বিশেষ করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষ, হামলা এবং সহিংসতার অভিযোগ বহু বছর ধরে আলোচনায় এসেছে।
২০১৩ সালে যুদ্ধাপরাধের বিচারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনাগুলোও এই আলোচনার বাইরে রাখা যায় না। সে সময় মানবাধিকার সংগঠনগুলো জামায়াত ও শিবিরের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, পুলিশ ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর হামলা এবং হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ নথিভুক্ত করেছিল।
অতীতের এসব ঘটনা সামনে আনা কোনো সংগঠনের প্রত্যেক বর্তমান কর্মীকে অভিযুক্ত করা নয়। বরং প্রশ্নটি হলো—যে দল অন্যদের রাজনৈতিক আচরণের হিসাব চাইছে, সেই দল নিজের রাজনৈতিক ইতিহাসের হিসাব দিতে কতটা প্রস্তুত?
জামায়াতের রাজনৈতিক পুনর্গঠনের আলোচনায় নারী অধিকারও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাম্প্রতিক সময়ে দলটির নেতারা নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান, সরকারি চাকরি এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন। নির্বাচনী রাজনীতিতে নারীর সমান সুযোগের কথাও বলা হয়েছে।
কিন্তু একই সময়ে জামায়াতের একজন শীর্ষ নেতার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি বিতর্কিত পোস্ট নিয়ে তীব্র আলোচনা তৈরি হয়। সেখানে কর্মজীবী নারীদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করা হয়েছিল। পরে দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টটি হ্যাক করা হয়েছিল এবং পোস্টটি ওই নেতার ব্যক্তিগত মতামত নয়।
দলটির এই ব্যাখ্যা অবশ্যই বিবেচনায় নেওয়া উচিত। কিন্তু ঘটনাটি যে প্রশ্ন তৈরি করেছে, সেটিও উপেক্ষা করা যায় না।
নারীর কাজ, স্বাধীনতা, সামাজিক ভূমিকা এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব সম্পর্কে জামায়াতের প্রকৃত অবস্থান কী—এই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর জনগণের জানার অধিকার রয়েছে। বিশেষ করে যখন দলটি জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে এবং একই সঙ্গে দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বে নারীর ভূমিকা নিয়ে সীমাবদ্ধতার কথা বলা হয়েছে।
কেবল নির্বাচনী ইশতেহারে সমান অধিকারের কথা থাকলেই প্রশ্নের অবসান ঘটে না। রাজনৈতিক দলকে তার নীতি, সাংগঠনিক সংস্কৃতি এবং বাস্তব আচরণের মাধ্যমেও সেই অবস্থান প্রমাণ করতে হয়।
বাংলাদেশ একটি বহুত্ববাদী রাষ্ট্র। এখানে মুসলমানের পাশাপাশি হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সম্প্রদায়ের মানুষ সমান নাগরিক অধিকার নিয়ে বসবাস করেন।
এই বাস্তবতায় কোনো রাজনৈতিক দল যখন ধর্মীয় পরিচয়কে তার রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে সামনে আনে, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে সংখ্যালঘু নাগরিকরা নিজেদের কতটা সমান ও নিরাপদ মনে করবেন?
জামায়াতকে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। কারণ একটি আধুনিক গণতন্ত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠের অধিকার যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা ও সমঅধিকারও গণতন্ত্রের মৌলিক পরীক্ষা।
সবচেয়ে বড় সমস্যা সম্ভবত এখানেই। ‘ফ্যাসিস্ট’ শব্দটি যদি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আক্রমণের সাধারণ বিশেষণে পরিণত হয়, তাহলে শব্দটির ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক গুরুত্বই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ফ্যাসিবাদ বলতে সাধারণভাবে এমন রাজনৈতিক প্রবণতা বোঝানো হয় যেখানে কেন্দ্রীভূত ক্ষমতা, চরম রাজনৈতিক আধিপত্য, ভিন্নমতের প্রতি অসহিষ্ণুতা, বিরোধীদের দমন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক ক্ষমতার অধীন করার প্রবণতা থাকে।
সুতরাং কোনো দলকে ফ্যাসিস্ট বলার আগে তার আচরণ পরীক্ষা করা জরুরি। সে কীভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করে? বিরোধীদের সঙ্গে কী আচরণ করে? গণমাধ্যম ও বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতাকে কতটা সম্মান করে? নির্বাচন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে কতটা স্বাধীন রাখে? রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের অস্তিত্বকে সে কতটা স্বীকার করে?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর থেকেই বিচার হওয়া উচিত।
শুধু রাজনৈতিক বক্তৃতায় ‘ফ্যাসিস্ট’ শব্দটি বারবার উচ্চারণ করলে তার অর্থ বদলে যায়। তখন এটি আর রাজনৈতিক বিশ্লেষণের ধারণা থাকে না; পরিণত হয় প্রতিপক্ষকে বৈধতা থেকে বঞ্চিত করার স্লোগানে।
এর অর্থ অবশ্যই বিএনপিকে ছাড় দেওয়া নয়।
বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে তাকে তার কর্মকাণ্ডের জন্য জবাব দিতে হবে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করলে তার সমালোচনা করতে হবে। বিরোধী দলকে দমন করলে প্রশ্ন তুলতে হবে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল হলে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
কিন্তু বিএনপিকে বিচার করার যে মানদণ্ড, জামায়াতসহ অন্য সব রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রেও একই মানদণ্ড প্রয়োগ করতে হবে।
গণতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সৌন্দর্য এখানেই—কোনো দলই স্থায়ীভাবে নৈতিকতার একমাত্র মালিক নয়।
জুলাই অভ্যুত্থানের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বহনকারী এনসিপির সামনে এই প্রশ্নটি আরও গুরুত্বপূর্ণ। স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ভাষা কোনো একটি রাজনৈতিক দলের একচেটিয়া সম্পত্তি হতে পারে না।
জুলাইয়ের আন্দোলনের মূল শিক্ষা যদি রাজনৈতিক আধিপত্য প্রত্যাখ্যান হয়, তাহলে সেই শিক্ষা শুধু একটি দলকে সরিয়ে অন্য একটি দলকে ক্ষমতার কেন্দ্রে বসানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না।
অর্থাৎ বিএনপির আধিপত্য যেমন প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে, তেমনি জামায়াতের আধিপত্যের সম্ভাবনাও প্রশ্নের বাইরে থাকতে পারে না। একইভাবে এনসিপিও সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়।
গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দলের পরিচয় নির্ধারিত হওয়া উচিত তার বক্তব্যের পাশাপাশি তার বাস্তব রাজনৈতিক আচরণ দিয়ে।
এই প্রশ্নের উত্তর কোনো দলের মুখে উচ্চারিত শব্দের সংখ্যা দিয়ে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।
বিএনপিকে বিচার করতে হবে তারা রাষ্ট্রক্ষমতা কীভাবে ব্যবহার করে তার ভিত্তিতে। এনসিপিকে বিচার করতে হবে তাদের রাজনৈতিক অবস্থান, জোট, সিদ্ধান্ত এবং ক্ষমতার ব্যবহারের সম্ভাব্য ধরন দিয়ে। আর জামায়াতকে বিচার করতে হবে তার ইতিহাস, মতাদর্শ, সাংগঠনিক সংস্কৃতি এবং বর্তমান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে।
জামায়াত যদি সত্যিই বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনীতির নেতৃত্ব দিতে চায়, তাহলে তাকে প্রথমেই নিজের ইতিহাসের কঠিন প্রশ্নগুলোর মুখোমুখি হতে হবে—১৯৭১ সালে তাদের রাজনৈতিক অবস্থান, মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ভূমিকা, আল-বদরের প্রসঙ্গ, শিবিরের সহিংসতার ইতিহাস, নারী ও সংখ্যালঘুদের অধিকার সম্পর্কে তাদের অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রচিন্তা নিয়ে।
অন্যদিকে বিএনপিকেও বলতে হবে—অতীতের ভুল বা অন্যের ব্যর্থতা দিয়ে বর্তমানের ক্ষমতার জবাবদিহি এড়ানো যাবে না।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে তাই আসল প্রশ্ন হওয়া উচিত না—কে কাকে ‘ফ্যাসিস্ট’ বলল। আসল প্রশ্ন হওয়া উচিত—কে কীভাবে ক্ষমতা ব্যবহার করছে, কে ভিন্নমতকে কতটা সহ্য করছে, কে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে কতটা স্বাধীন রাখছে এবং কে নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে কতটা প্রস্তুত।
‘ফ্যাসিস্ট’ শব্দটি যদি সত্যিই রাজনৈতিক বিশ্লেষণের অংশ হয়, তাহলে তার ব্যবহারেও থাকতে হবে প্রমাণ, ইতিহাস ও ধারাবাহিকতার ভিত্তি। আর যদি এটি কেবল প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার স্লোগানে পরিণত হয়, তাহলে শব্দটি যত বেশি উচ্চারিত হবে, তার রাজনৈতিক গুরুত্ব ততই কমবে।
বাংলাদেশের জনগণ কোনো রাজনৈতিক দলের কাছ থেকেই অন্ধ আনুগত্য চায় না। তারা চায় জবাবদিহি। বিএনপিকে বিএনপির কাজের জন্য জবাব দিতে হবে। এনসিপিকে তাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের জন্য জবাব দিতে হবে। জামায়াতকেও তার ইতিহাস ও বর্তমান অবস্থানের জন্য জবাব দিতে হবে।
কারণ গণতন্ত্রে কাউকে ‘ফ্যাসিস্ট’ ঘোষণা করার অধিকার কোনো দলের একার নয়। জনগণই শেষ পর্যন্ত বিচার করবে—কোন রাজনৈতিক শক্তি স্বাধীনতা, বহুত্ববাদ, গণতন্ত্র এবং নাগরিক অধিকারের প্রতি সত্যিকার অর্থে কতটা বিশ্বস্ত।
এসএ