নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বাসায় জমে থাকা গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ আট বছরের শিশু মারুফের মৃত্যুর পর তার মা বিউটি আক্তারও (২২) মারা গেছেন। এ ঘটনায় ৮৫ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিউটি আক্তারের স্বামী মাইদুল ইসলাম (২৪)।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বিউটি আক্তার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ও সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান।
তিনি জানান, বিস্ফোরণের ঘটনায় বিউটি আক্তারের শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। এর আগে একই ঘটনায় ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়ে গত শনিবার (৮ আগস্ট) মারা যায় তার একমাত্র ছেলে মারুফ। ৮৫ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন মাইদুল ইসলাম।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল সোয়া ৭টার দিকে বন্দরের একটি টিনশেড বাসায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
এতে মাইদুল ইসলাম, তার স্ত্রী বিউটি আক্তার ও তাদের ছেলে মারুফ দগ্ধ হয়।
মারুফের মামা মো. রনি জানান, তারা পাশাপাশি ভাড়া বাসায় থাকতেন। সকালে মাইদুল ঘরের ভেতর সিগারেট ধরানোর পরপরই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘরে থাকা তিনজনই দগ্ধ হন। তাদের ধারণা, ঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
তিনি আরও জানান, বিউটি আক্তার ও তার পরিবারের বাড়ি নাটোরের লালপুর উপজেলার ওমরপুর গ্রামে। বিউটির বাবার নাম রজব আলী। আর মাইদুলের বাড়ি একই উপজেলার বরবাদকয়া গ্রামে। তার বাবার নাম মো. পলান। মাইদুল পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন। তাদের ছেলে মারুফ স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
টিআইএস