টাইফুন ডলফিনের মধ্যে তাইওয়ান প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে চীনের দেওয়া নির্দেশের প্রতিবাদ জানিয়েছে তাইওয়ান। শনিবার তাইওয়ানের মেইনল্যান্ড অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল (এমএসি) বলেছে, তাইওয়ানের জলসীমায় চলাচল নিয়ন্ত্রণের কোনো অধিকার চীনের নেই। খবর শাফাক নিউজের।
টাইফুনের প্রভাবে প্রণালিতে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হলে চীনের গুয়াংডং মেরিটাইম সেফটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন দক্ষিণ দিক থেকে প্রণালিতে প্রবেশকারী জাহাজগুলোকে নির্দিষ্ট নির্দেশনা মেনে চলতে বলে। তবে তাইওয়ান এই নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করেছে।
তাইওয়ানের এমএসি বলেছে, চীনের এ ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক কনভেনশনের নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
তাইওয়ানের কোস্টগার্ডও বাণিজ্যিক ও পণ্যবাহী জাহাজগুলোকে চীনের সম্প্রচারিত নির্দেশ উপেক্ষা করতে বলেছে। কোনো ধরনের বাধা বা হস্তক্ষেপের মুখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে জানাতেও বলা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত জাহাজ চলাচলে অস্বাভাবিক কোনো পরিস্থিতি দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে তাইওয়ান।
টাইফুন ডলফিন এরই মধ্যে জাপানের ওকিনাওয়া এলাকায় আঘাত হেনেছে। এরপর এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে চীনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। রোববার রাত থেকে সোমবার ভোরের মধ্যে টাইফুনটি চীনের উপকূলে আঘাত হানতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
টাইফুনের কারণে চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশে সর্বোচ্চ মাত্রার উপকূলীয় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বন্দরগুলোর কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে এবং ১৬২টি যাত্রীবাহী ফেরি চলাচল স্থগিত করা হয়েছে। প্রদেশটির কিছু এলাকায় ৬০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া বিভাগ।
এদিকে টাইফুনে জাপানের ওকিনাওয়ায় পাঁচজন আহত হয়েছেন এবং প্রায় ১৪ হাজার ভবনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। তাইওয়ানেও ৬৩টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এসএ