ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
স্কুলে ভর্তিতে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে পরীক্ষা
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৯ পিএম
X

অভিভাবকদের আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। তবে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাই করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে।

প্রথম শ্রেণিতে লটারি, অন্যান্য শ্রেণিতে পরীক্ষা

এর আগে ১৬ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছিল, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারিভিত্তিক ভর্তি পদ্ধতি বাতিল করে পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে লটারি পদ্ধতিই বহাল রাখা হচ্ছে। আর দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হবে পরীক্ষার মাধ্যমে। যদিও এই পরীক্ষার ধরন ও কাঠামো এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।

লটারি পদ্ধতি চালুর কারণ

একসময় দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা প্রচলিত ছিল। তবে শিশুদের ওপর অতিরিক্ত চাপ, কোচিংনির্ভরতা বৃদ্ধি, প্রশ্নফাঁস ও ভর্তি প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগের কারণে ২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে ভর্তি চালু করা হয়। পরে একই পদ্ধতি বেসরকারি বিদ্যালয়েও চালু হয়।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এরপর থেকে সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ে এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছিল।

ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে শিক্ষাবিদদের আপত্তি

প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা চালুর প্রস্তাবের পর থেকেই অনেক শিক্ষাবিদ এর বিরোধিতা করে আসছিলেন। তাদের মতে, অল্প বয়সে শিশুদের পরীক্ষার চাপের মধ্যে ফেললে তাদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে এবং এতে সামাজিক বৈষম্যও বাড়তে পারে।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমদ বলেন, শিশুদের জন্য ভর্তি পরীক্ষা একটি বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা। কারণ এ ধরনের পরীক্ষায় কোচিং বা প্রাইভেট পড়ার সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীরা তুলনামূলকভাবে এগিয়ে থাকে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুনও মনে করেন, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। তার মতে, এতে কোচিং বাণিজ্য বাড়ার পাশাপাশি শিশুদের মধ্যে মানসিক চাপ ও নেতিবাচক প্রভাব তৈরি হতে পারে।

আরএন



Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝