যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে অনুষ্ঠিতব্য স্কটল্যান্ড ও ব্রাজিলের মধ্যকার বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘সি’-এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি আবহাওয়াজনিত কারণে স্থগিত বা সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার শঙ্কায় পড়েছে।
চলতি সপ্তাহে ফিলাডেলফিয়ায় বজ্রঝড়ের কারণে একটি ম্যাচ দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর এবার একই ধরনের পরিস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে মায়ামিতেও। স্থানীয় আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, ম্যাচ শুরুর সময়ের কাছাকাছি এলাকায় বজ্রঝড়ের সম্ভাবনা থাকায় খেলা নির্ধারিত সময়ের পরিবর্তে শুরু হতে দেরি হতে পারে বা মাঝপথে সাময়িকভাবে বন্ধও রাখা হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে জুন–জুলাই মাসে আকস্মিক বন্যা ও বজ্রঝড় সাধারণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। টুর্নামেন্টের প্রথম সপ্তাহ তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক থাকলেও সম্প্রতি আবহাওয়ার পরিবর্তনে একাধিক ম্যাচে প্রভাব পড়ছে।
এর আগে ফিলাডেলফিয়ায় ফ্রান্স ও ইরাকের ম্যাচটি বজ্রঝড়ের কারণে প্রথমার্ধের পর প্রায় দুই ঘণ্টা বন্ধ রাখতে হয়েছিল। পরে খেলা পুনরায় শুরু হলে ফ্রান্স ৪–০ ব্যবধানে জয় পায়। অন্যদিকে নিউ জার্সিতে নরওয়ে ও সেনেগালের ম্যাচে ভারী বৃষ্টিপাত হলেও খেলা শেষ পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে সম্পন্ন হয়।
এবার সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে ফ্লোরিডার মায়ামি। আবহাওয়া পূর্বাভাস সংস্থা ‘অ্যাকুওয়েদার’-এর তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে—অর্থাৎ ম্যাচ শুরুর প্রায় এক ঘণ্টা আগে—এ এলাকায় বজ্রঝড়ের সম্ভাবনা প্রায় ৫১ শতাংশ।
বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোর ৪টায় স্কটল্যান্ড–ব্রাজিল ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
গ্রুপ পর্বের পয়েন্ট সমীকরণে ম্যাচটি স্কটল্যান্ডের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্রাজিলের বিপক্ষে অন্তত এক পয়েন্ট পেলেই তারা সেরা তৃতীয় দল হিসেবে নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করতে পারবে। তবে হেরে গেলেও গোল ব্যবধান ও অন্য গ্রুপের ফলাফলের ওপর তাদের পরবর্তী পর্বে ওঠার সুযোগ থাকবে।
আবহাওয়ার কারণে সম্ভাব্য বিলম্ব বা বিরতি হলেও দলটি প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্কটল্যান্ডের প্রধান কোচ স্টিভ ক্লার্ক। তিনি বলেন, “আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী কিছুটা বিঘ্ন ঘটতে পারে। তবে আমরা এর জন্য প্রস্তুত। ম্যাচ থেমে গেলে খেলোয়াড়দের কীভাবে মানসিকভাবে প্রস্তুত রাখতে হবে, সে বিষয়ে আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে।”
তিনি আরও জানান, সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় দলের একটি ব্যাকআপ পরিকল্পনাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এসআর