হায়দরাবাদ কিংসম্যানকে হারিয়ে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পেশোয়ার। ৯ বছর পর রোববার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়নের স্বাদ পেল পেশোয়ার। এটি তাদের পিএসএল ইতিহাসের দ্বিতীয় শিরোপা।
জালমির বোলারদের সামনে মুথ থুবড়ে পড়েন হায়দরাবাদ কিংসম্যানের ব্যাটাররা। মাত্র ১২৯ রানে অলআউট হয় দলটি।
গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে লক্ষ্য তাড়ায় নেমে মাত্র ৭ রানে দুই উইকেট হারায় পেশোয়ার। পিএসএলের ইতিহাসে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ৫৮৮ রান করা বাবর আজম আউট হন গোল্ডেন ডাকে। ৬ রান করেন মোহাম্মদ হারিস। দু'জনকেই ফেরান মোহাম্মদ আলী।
সেমিফাইনালের নায়ক হুনাইন শাহর বলে আউট হয়ে ৯ রানের বেশি করতে পারেননি কুশল মেন্ডিস। আকিফ জাভেদের বলে আউট মাইকেল ব্রেসওয়েল আউট হলে ৪০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বড় বিপদে পড়ে জালমি। অবশেষে সেই চাপ সামাল দেন অ্যারন হার্ডি ও আব্দুল সামাদ। দু'জনের ৮৫ রানের জুটিতে জয় তখন মাত্র ৫ রান দূরের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। সে সময় ৩৪ বলে ৪৮ রান করা সামাদ সাজঘরে ফেরেন মোহাম্মদ আলীর তৃতীয় শিকারে পরিণত হয়ে।
সামাদ ফিরলেও চ্যাম্পিয়ন হতে আর কোনো সমস্যাই হয়নি পেশোয়ারের। ৩৯ বলে ৫৬ রান করে অপরাজিত থাকা হার্ডি ও ৪ রানে অপরাজিত থাকা ফারহান ইউসুফ দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে এনে দেন ৯ বছর পর শিরোপার স্বাদ। ব্যাটে ৫৬ রান করার পাশাপাশি বল হাতেও ৪ উইকেট শিকার করে ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় হঙ হার্ডি।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিং করতে নামে হায়দরাবাদ কিংসমেন। মোটামুটি ভালো শুরু করে ৩ উইকেটে ৭১ রান তোলে দলটি। উসমান খান ৫৪ ও ২০ রান করেন মারনাস লাবুশেন। এই দুটো স্কোরই সর্বোচ্চ তাদের ইনিংসে। ৩ উইকেট হারানোর পর তাসের ঘরের মতো ভাঙে কিংসমেনের ব্যাটিং লাইনআপ। শেষ পর্যন্ত ১২৯ রানেই অলআউট হয় লাবুশেনের দল।
নাহিদ রানা গোল্ডেন ডাকে ফেরান গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে। হুনাইন শাহকেও আউট করেন তিনি। হার্ডি শিকার করেন ৪ উইকেট। একটি করে বাসিত ও মুকিম।
এমএ